ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
কৃষক কার্ড–ফ্যামেলি কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বিএনপি: এম নাসের রহমান এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে গনভোট হ্যাঁ জয় যুক্ত করতে হবে… সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সকল সুবিধা এক জায়গায় নিয়ে আসতে চায় বিএনপি – এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার–৩ আসনে দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীর গণসংযোগ বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু

এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লালবাগে ঐতিহ্যের ২৬তম বর্ষ উপলক্ষে এক অভিনব ও ইতিহাসনির্মাণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে নয়, পুরো এশিয়া মহাদেশে প্রথমবার উদযাপিত হয়েছে মা সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা।

গত বছর লালবাগ যুব কিশোর সংঘ ২১ ফুট লম্বা ধানের সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে নজির স্থাপন করেছিল। এবছর তাদের উদ্যোগে ১৬ রূপে মা সরস্বতীর প্রতিমা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা একেবারে অনন্য এবং পৃথিবীর মধ্যে বিরল। এই ১৬ রূপে মা প্রতিমার আরাধনা মূলত শিল্প ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলন। পুরো অনুষ্ঠানটি গোসাইবাড়ি রোড, লালবাগ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া চক্রবর্তী ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী অঞ্জলি গ্রহণের পর তাদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানান। শ্রেয়া বলেন, “মা সরস্বতীর এই ১৬ রূপ সত্যিই অদ্ভুত সুন্দর। আমি খুব আনন্দিত, মা আমাদেরকে জ্ঞান ও শিক্ষার আলো দিক।” শ্রাবন্তী যোগ করেন, এত সুন্দর ও বিশাল এই পূজা দেখে আমার মনে আনন্দ ও ভক্তি একই সাথে উত্থান পেয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের এই প্রথম পূজা দেখতে আসা কাতার প্রবাসী সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, “আমি বিশ্বজুড়ে এমন কোনো অনুষ্ঠান আগে দেখিনি। সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা সত্যিই অনন্য, এবং এটি কেবল ধর্মীয় নয়, শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

এবারের অনুষ্ঠানের সভাপতি কৌশিক দত্ত বলেন, এই ১৬ রূপে মা সরস্বতী পূজা উদযাপন আমাদের জন্য একটি গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। আশা করি ভবিষ্যতেও এমন অনন্য উদ্যোগ গুলো আমাদের সমাজকে এক নতুন দিশা দেখাবে। অনুষ্ঠানটি ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি শিক্ষার, সংস্কৃতির এবং সমাজসেবার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান

আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লালবাগে ঐতিহ্যের ২৬তম বর্ষ উপলক্ষে এক অভিনব ও ইতিহাসনির্মাণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে নয়, পুরো এশিয়া মহাদেশে প্রথমবার উদযাপিত হয়েছে মা সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা।

গত বছর লালবাগ যুব কিশোর সংঘ ২১ ফুট লম্বা ধানের সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে নজির স্থাপন করেছিল। এবছর তাদের উদ্যোগে ১৬ রূপে মা সরস্বতীর প্রতিমা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা একেবারে অনন্য এবং পৃথিবীর মধ্যে বিরল। এই ১৬ রূপে মা প্রতিমার আরাধনা মূলত শিল্প ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলন। পুরো অনুষ্ঠানটি গোসাইবাড়ি রোড, লালবাগ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া চক্রবর্তী ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী অঞ্জলি গ্রহণের পর তাদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানান। শ্রেয়া বলেন, “মা সরস্বতীর এই ১৬ রূপ সত্যিই অদ্ভুত সুন্দর। আমি খুব আনন্দিত, মা আমাদেরকে জ্ঞান ও শিক্ষার আলো দিক।” শ্রাবন্তী যোগ করেন, এত সুন্দর ও বিশাল এই পূজা দেখে আমার মনে আনন্দ ও ভক্তি একই সাথে উত্থান পেয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের এই প্রথম পূজা দেখতে আসা কাতার প্রবাসী সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, “আমি বিশ্বজুড়ে এমন কোনো অনুষ্ঠান আগে দেখিনি। সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা সত্যিই অনন্য, এবং এটি কেবল ধর্মীয় নয়, শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

এবারের অনুষ্ঠানের সভাপতি কৌশিক দত্ত বলেন, এই ১৬ রূপে মা সরস্বতী পূজা উদযাপন আমাদের জন্য একটি গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। আশা করি ভবিষ্যতেও এমন অনন্য উদ্যোগ গুলো আমাদের সমাজকে এক নতুন দিশা দেখাবে। অনুষ্ঠানটি ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি শিক্ষার, সংস্কৃতির এবং সমাজসেবার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।