ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বাষিক নৈশভোজ ও আলোচনা সভা যারা বেহেশত ও দোজখের টিকিট দিচ্ছে তারা শিরক করছে : মৌলভীবাজারে তারেক রহমান তারেক রহমানের সফরসঙ্গী গাড়িবহরের টোল ফি অগ্রিম দিল জেলা বিএনপি শাবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে মৌলভীবাজারে বিএনপির আনন্দ মিছিল ৪টি আসনে প্রতীক পেলেন ২৪ প্রার্থী মৌলভীবাজারে যাত্রা শুরু,অনলাইন বেইলবন্ডে দ্রুত মুক্তি পাবে আসামীরা

কুলাউড়ায় প্রবাসীর স্ত্রী লাপাত্তাঃ বোনকে ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভাই

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩
  • / ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

কুলাউড়া প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে গত ০৩ জুন থেকে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী জুনাব আলীর স্ত্রী দিলারা বেগম স্বামীর বাড়ি থেকে লাপাত্তা রয়েছে। স্বামীর পরিবারের লোকজন মারপিট করে দিলারা বেগমকে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন তার ভাই আব্দুল কালাম।

এব্যাপারে কুলাউড়া থানাসহ স্থাণীয় লোকজনের কাছে অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পাননি বলে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করেন।

আবুল কালাম ওরফে কুটন মিয়া অভিযোগ করেন, তার ছোট বোন দিলারা বেগমের স্বামী সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকে। তার দুটি ছেলে সন্তান ও রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামীর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করতো। তাদের টাকায় বিদেশ যান জুনাব আলী। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার পরও যৌতুক চাওয়া বন্ধ হয়নি। এবার পরিবারের লোকজন নির্যাতন চালায়। পরিকল্পিতভাবে দিলারা বেগমে চরিত্রহীন সাজাতে ভিডিও বানিয়ে সেই ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠায়। তা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে জুনাব আলী একটি তালাকনামা পাঠায়।

বিষয়টি নিয়ে গত ১৮ মে এলাকায় শালিস বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দিলারা বেগমকে তার ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলীর জিম্মায় রাখা হয়। গত ০৩ জুন রাত ১১ টায় দিলারা বেগমকে মারপিট করে অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে রাখে। আমি বিষয়টি এলাকার লোকজনকে অবগত করে রাখি এবং কুলাউড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
পূর্ব টাট্রিউলি এলাকার সাবেক মেম্বার রশিদ মিয়া, পঞ্চায়েত কমিটির সেক্রেটারি জালাল মিয়া, ইউনুছ মিয়া, জসিম মিয়া সর্দার, আব্দুল হান্নান, মছলু মিয়া ও নজরুল ইসলাম জানান, দিলারা বেগমকে তার ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলীর জিম্মায় রাখা হয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মেম্বারসহ বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। কিন্তু এর আগে হঠাৎ করে গৃহবধু দিলারা বেগমকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটি পক্ষ বিষয়টির সমাধান করতে চায় না।

এদিকে অভিযুক্ত আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলী জানান, আমরা আলাদা বাড়িতে থাকি। আমরা জিম্মা নিতে রাজি হইনি। কুটন মিয়া তার বোনকে আত্মগোপন করে রেখেছে। হয়রানি করতে নাটক সাজাচ্ছে। তারা চান, দিলারা বেগমকে উদ্ধার করলে বিষয়টি আসল রহস্য উদঘাটন হবে।

কুলাউড়া থানার এসআই পরিমল চন্দ্র দাস ঘটনার তদন্ত করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছি। মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি। কোন ক্লুও উদঘাটন করা সম্ভব হচ্ছে না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় প্রবাসীর স্ত্রী লাপাত্তাঃ বোনকে ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভাই

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩

কুলাউড়া প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে গত ০৩ জুন থেকে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী জুনাব আলীর স্ত্রী দিলারা বেগম স্বামীর বাড়ি থেকে লাপাত্তা রয়েছে। স্বামীর পরিবারের লোকজন মারপিট করে দিলারা বেগমকে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন তার ভাই আব্দুল কালাম।

এব্যাপারে কুলাউড়া থানাসহ স্থাণীয় লোকজনের কাছে অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পাননি বলে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করেন।

আবুল কালাম ওরফে কুটন মিয়া অভিযোগ করেন, তার ছোট বোন দিলারা বেগমের স্বামী সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকে। তার দুটি ছেলে সন্তান ও রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামীর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করতো। তাদের টাকায় বিদেশ যান জুনাব আলী। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার পরও যৌতুক চাওয়া বন্ধ হয়নি। এবার পরিবারের লোকজন নির্যাতন চালায়। পরিকল্পিতভাবে দিলারা বেগমে চরিত্রহীন সাজাতে ভিডিও বানিয়ে সেই ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠায়। তা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে জুনাব আলী একটি তালাকনামা পাঠায়।

বিষয়টি নিয়ে গত ১৮ মে এলাকায় শালিস বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দিলারা বেগমকে তার ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলীর জিম্মায় রাখা হয়। গত ০৩ জুন রাত ১১ টায় দিলারা বেগমকে মারপিট করে অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে রাখে। আমি বিষয়টি এলাকার লোকজনকে অবগত করে রাখি এবং কুলাউড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
পূর্ব টাট্রিউলি এলাকার সাবেক মেম্বার রশিদ মিয়া, পঞ্চায়েত কমিটির সেক্রেটারি জালাল মিয়া, ইউনুছ মিয়া, জসিম মিয়া সর্দার, আব্দুল হান্নান, মছলু মিয়া ও নজরুল ইসলাম জানান, দিলারা বেগমকে তার ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলীর জিম্মায় রাখা হয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান মেম্বারসহ বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। কিন্তু এর আগে হঠাৎ করে গৃহবধু দিলারা বেগমকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটি পক্ষ বিষয়টির সমাধান করতে চায় না।

এদিকে অভিযুক্ত আইয়ুব আলী, আকবর আলী ও আজবর আলী জানান, আমরা আলাদা বাড়িতে থাকি। আমরা জিম্মা নিতে রাজি হইনি। কুটন মিয়া তার বোনকে আত্মগোপন করে রেখেছে। হয়রানি করতে নাটক সাজাচ্ছে। তারা চান, দিলারা বেগমকে উদ্ধার করলে বিষয়টি আসল রহস্য উদঘাটন হবে।

কুলাউড়া থানার এসআই পরিমল চন্দ্র দাস ঘটনার তদন্ত করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছি। মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি। কোন ক্লুও উদঘাটন করা সম্ভব হচ্ছে না।