ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজারে মাদক বিরোধী সেমিনার এসএসসি ২০২৪ ইং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের সংবর্ধনা প্রদান মৌলভীবাজারে অস্ত্র ও বিপুল পরিমান মাদকসহ একজন আটক  ৩০মে ন‍্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার এর উদ‍্যোগে ফ্রি হার্ট ক‍্যাম্প কলেজের একযুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশ্বায়ন-৩ এর প্রকাশনা উৎসব নিয়োগ পরিক্ষার  আগেই নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে বিএনপির ৩ নেতা মৌলভীবাজার কারাগারে ২১৭ নেতাকে বহিষ্কার করলো বিএনপি মৌলভীবাজারে মন্দিরভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রম শীর্ষক জেলা কর্মশালা কোটচাঁদপুর  ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছেন দূর্বৃত্তরা

কোটচাঁদপুর হাসপাতালে পিটিয়ে  হত্যার অভিযোগ পুলিশ বলছে সে নেশাখোর

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • / ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মঈন উদ্দিন খান :  মহেশপুর উপেজলার আলামপুর নুরুল হক ওরেফে নুরুল্লাহ( ৫৫) নামে এক নিরীহ মাটিকাটা শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সন্ধ্যরাত ৭টার দিকে কোটচাঁদপুর উপেজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর তার মৃত্যুহয়। নিহত নুরুল্লাহ আলামপুর গ্রামের  মৃত জহর আলীর ছেলে  অভিযােগে জানাযায়,গত পরশু গভীর রাতে মেন আলামপুর গ্রাম কথিত রাজ্জাক ফকিরের আস্তানায় গােপন আখড়ায় স্থানীয় কিছু উচ্ছৃংখল যুবক তাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ অবস্থায় তার স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে  বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে  অবস্থার অবনিত হলে (বুধবার) কোটচাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে  জানা যায়,নিহত নুরুল্লাহ একজন সাদাসিধে রাস্তার মাটিকাটা শ্রিমক । এমিনেতেই সে এলাকার বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে নিজেই কৌতুহলি  হয়ে যোগ দিতেন। ২৩ মে ঘটনার রাতে আলামপুর (৪নং) গ্রামের মৃত আঃ রাজ্জাক ফকিরের ( লালন শাহের ভক্তরা) আস্তানায় ওরশে যোগ দেয়। সেখানে গােপন মঞ্চে  চলে নাচ গান । এ সময় ওই অনুষ্ঠােন যোগ দেয় এলাকার কিছু উচ্ছৃংখল যুবক জালাল,সবুজ,নাজমুল ও শুভসহ কয়েকজন।
নুরুল্লাহকে মঞ্চ থেকে ধাক্কা চড় থাপ্পড়,কিল ঘুষি দিতে দিতে পাশে বাঁশঝাড়ের দিকে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এ অবস্থায় তার স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। রাতে মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে কিন্তু কোন চিকিৎসা বা ওষুধ  না পেয়ে নিজেই আগুনে ন্যাকড়া ছাঁকা উপসেমর জন্য বুকসহ যন্ত্রনার স্থানে চেপে ধরে।
নুরুল্লাহর ভ্যাগনে আবু হানিফ এসব কথা জানায় আরো  বলেন , মামা আমাকে ডেকে নেয়।
কারা তার এভাবে বিনাদােষে মেরেছে তার  বিবরন দেয়। এ সময় সে জানায়, আমার মঞ্চ থেকে   গান গাওয়ার সময় ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। আলামপুর ৪ নং গ্রামের সিডুর ছেলে  জালাল, বাহার আলীর ছেলে নাজমুল, হাবুল্লাহর ছেলে শুভ ও সবুজ পিতা কাশেম  মালাধার পুর বেলে মাঠ পাড়ার
তাকে কিলঘুষি,লাথিসহ নানা ভাবে মেরে গুরুতর আহত করে। এসময় সে জোড় হাত করে বার বার না মারার জন্য আকুতি জানালেও তারা গালমন্দ করে মারেতে থাক। এ পর্যােয় মারাত্মক আহত করে। গতকাল নুরুল্লাহর অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে স্বজনরা তাকে কাটচাঁদপুর হাসপাতাল ভর্তি করার ২ঘন্টা পরই সে মারা যায়। নুরুল্লাহর ছোট ভাই মোঃ মোশােরফ হােসেন জানান, আমি ঢাকায় থাকি সেখান থেকে মোবাইল ফােনে আমার ভাইেকে এলাকার কিছু যুবক মেরে ফেলেছে এমন খবর পেয়ে আমার বাসায় বেড়াতে যাওয়া মাকে  নিয়ে বাড়িতে এসে  ঘটনার সত্যতা পাই। তিন বলেন, আমি আমার
নিরিহ ভাইয়ের হত্যা কারিদের বিচার চায়। এসময় নিহতের বৃদ্ধা মা জিমলা বেগম বিলাপ করে কেঁদে কেঁদে বলতে থাকে আমার ছেলেকে যারা এভাবে মেরে  ফেলেছে  তাদের  কঠোর  শাস্তি চাই। এদিকে যে আস্তানায় নুরুল্লাহকে এভাবে মারা হয়েছে সেই কথিত রাজ্জাককের আখড়ার গিয়ে আখড়ার  পরিচালক মৃত আঃ রাজ্জােকর ছেলে বিশারতকে পাওয়া যায়,জানেত চাইেল তিনি প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে তিনি মারার ঘটনার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলে জানান।
এসময় আখড়ার অন্য দুইজন মফিজুর রহমান ও তোফাজ্জেলেকে পাওয়া যায়িন। স্থানীয় একটি সুত্র নাম প্রকাশ না করার অনুেরাধ করে  অভিযোগ করে,নুরুল্লাহকে হত্যাকারি  যুবকরা উচ্ছৃংখল এলাকার প্রভাবশালী দলের নেতা ও
চেয়ারম্যানের মাধ্যেম ঘটনা ধামা চাপা দিতে জোর চেস্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোটচাঁদপুর হাসপাতালে পিটিয়ে  হত্যার অভিযোগ পুলিশ বলছে সে নেশাখোর

আপডেট সময় ০৩:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
মোঃ মঈন উদ্দিন খান :  মহেশপুর উপেজলার আলামপুর নুরুল হক ওরেফে নুরুল্লাহ( ৫৫) নামে এক নিরীহ মাটিকাটা শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সন্ধ্যরাত ৭টার দিকে কোটচাঁদপুর উপেজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর তার মৃত্যুহয়। নিহত নুরুল্লাহ আলামপুর গ্রামের  মৃত জহর আলীর ছেলে  অভিযােগে জানাযায়,গত পরশু গভীর রাতে মেন আলামপুর গ্রাম কথিত রাজ্জাক ফকিরের আস্তানায় গােপন আখড়ায় স্থানীয় কিছু উচ্ছৃংখল যুবক তাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ অবস্থায় তার স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে  বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে  অবস্থার অবনিত হলে (বুধবার) কোটচাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে  জানা যায়,নিহত নুরুল্লাহ একজন সাদাসিধে রাস্তার মাটিকাটা শ্রিমক । এমিনেতেই সে এলাকার বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে নিজেই কৌতুহলি  হয়ে যোগ দিতেন। ২৩ মে ঘটনার রাতে আলামপুর (৪নং) গ্রামের মৃত আঃ রাজ্জাক ফকিরের ( লালন শাহের ভক্তরা) আস্তানায় ওরশে যোগ দেয়। সেখানে গােপন মঞ্চে  চলে নাচ গান । এ সময় ওই অনুষ্ঠােন যোগ দেয় এলাকার কিছু উচ্ছৃংখল যুবক জালাল,সবুজ,নাজমুল ও শুভসহ কয়েকজন।
নুরুল্লাহকে মঞ্চ থেকে ধাক্কা চড় থাপ্পড়,কিল ঘুষি দিতে দিতে পাশে বাঁশঝাড়ের দিকে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এ অবস্থায় তার স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। রাতে মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে কিন্তু কোন চিকিৎসা বা ওষুধ  না পেয়ে নিজেই আগুনে ন্যাকড়া ছাঁকা উপসেমর জন্য বুকসহ যন্ত্রনার স্থানে চেপে ধরে।
নুরুল্লাহর ভ্যাগনে আবু হানিফ এসব কথা জানায় আরো  বলেন , মামা আমাকে ডেকে নেয়।
কারা তার এভাবে বিনাদােষে মেরেছে তার  বিবরন দেয়। এ সময় সে জানায়, আমার মঞ্চ থেকে   গান গাওয়ার সময় ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। আলামপুর ৪ নং গ্রামের সিডুর ছেলে  জালাল, বাহার আলীর ছেলে নাজমুল, হাবুল্লাহর ছেলে শুভ ও সবুজ পিতা কাশেম  মালাধার পুর বেলে মাঠ পাড়ার
তাকে কিলঘুষি,লাথিসহ নানা ভাবে মেরে গুরুতর আহত করে। এসময় সে জোড় হাত করে বার বার না মারার জন্য আকুতি জানালেও তারা গালমন্দ করে মারেতে থাক। এ পর্যােয় মারাত্মক আহত করে। গতকাল নুরুল্লাহর অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে স্বজনরা তাকে কাটচাঁদপুর হাসপাতাল ভর্তি করার ২ঘন্টা পরই সে মারা যায়। নুরুল্লাহর ছোট ভাই মোঃ মোশােরফ হােসেন জানান, আমি ঢাকায় থাকি সেখান থেকে মোবাইল ফােনে আমার ভাইেকে এলাকার কিছু যুবক মেরে ফেলেছে এমন খবর পেয়ে আমার বাসায় বেড়াতে যাওয়া মাকে  নিয়ে বাড়িতে এসে  ঘটনার সত্যতা পাই। তিন বলেন, আমি আমার
নিরিহ ভাইয়ের হত্যা কারিদের বিচার চায়। এসময় নিহতের বৃদ্ধা মা জিমলা বেগম বিলাপ করে কেঁদে কেঁদে বলতে থাকে আমার ছেলেকে যারা এভাবে মেরে  ফেলেছে  তাদের  কঠোর  শাস্তি চাই। এদিকে যে আস্তানায় নুরুল্লাহকে এভাবে মারা হয়েছে সেই কথিত রাজ্জাককের আখড়ার গিয়ে আখড়ার  পরিচালক মৃত আঃ রাজ্জােকর ছেলে বিশারতকে পাওয়া যায়,জানেত চাইেল তিনি প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে তিনি মারার ঘটনার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলে জানান।
এসময় আখড়ার অন্য দুইজন মফিজুর রহমান ও তোফাজ্জেলেকে পাওয়া যায়িন। স্থানীয় একটি সুত্র নাম প্রকাশ না করার অনুেরাধ করে  অভিযোগ করে,নুরুল্লাহকে হত্যাকারি  যুবকরা উচ্ছৃংখল এলাকার প্রভাবশালী দলের নেতা ও
চেয়ারম্যানের মাধ্যেম ঘটনা ধামা চাপা দিতে জোর চেস্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।