ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজার মনু নদীর পানি নিয়ে আতঙ্ক না হওয়ার পরামর্শ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ভোট গ্রহন চলছে ছড়া ও খালের পাড় ভেঙে বিভিন্ন এলাকা ও ফসলাদির জমি প্লাবিত মৌলভীবাজারে ভিটামিন এ ক্যাম্পসুল খাওয়ানো হবে  ২১২৬৪৮ জন শিশুকে বিমান বাহিনীর প্রধান হলেন হাসান মাহমুদ খাঁন মৌলভীবাজারে মাদক বিরোধী সেমিনার এসএসসি ২০২৪ ইং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের সংবর্ধনা প্রদান মৌলভীবাজারে অস্ত্র ও বিপুল পরিমান মাদকসহ একজন আটক  ৩০মে ন‍্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার এর উদ‍্যোগে ফ্রি হার্ট ক‍্যাম্প কলেজের একযুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশ্বায়ন-৩ এর প্রকাশনা উৎসব

চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন-২০২৪ শুরু

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪
  • / ১৭০ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন-২০২৪ শুরু হয়েছে আজ। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ সম্মেলনের উদ্‌বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলন উদ্বোধন ঘোষণা করবেন এবং ভাষণ দেবেন। সব মিলিয়ে সম্মেলনে এবার ৩৫৬টি আলোচ্য বিষয় থাকছে।

গত বছর এই সম্মেলন তিন দিন হলেও এবার ৩ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনে ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রায় ৩৫০টি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা।

গত বছর এই প্রস্তাবের সংখ্যা ছিল ২৪৫টি। ফলে গত বছরের চেয়ে এবার একশর বেশি প্রস্তাব করেছেন ডিসিরা। প্রতিবছর বেশির ভাগ প্রস্তাব থাকে ডিসি ও ইউএনওদের ক্ষমতা বা দায়িত্বের পরিধি বাড়ানো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসংক্রান্ত। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

এবারের ডিসি সম্মেলনে প্রথমবারের মতো সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ও পরামর্শ দেবেন। এ জন্য সম্মেলনের প্রথম দিন রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ‘উন্নয়নে মাঠ প্রশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন শনিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোট ৫৬টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার মন্ত্রী/উপদেষ্টা/প্রতিমন্ত্রী/সিনিয়র সচিব/সচিবরা সম্মেলনে অংশ নেবেন। চার দিনে স্পিকার, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে জেলা প্রশাসকরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন।

এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়বিষয়ক অধিবেশন সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দু’টি।

গত বছর তিন দিন সম্মেলন হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে তিন দিনে সকল আলোচনা সম্ভব হয় না, সেজন্য এবার চার দিনব্যাপী সম্মেলন হবে। এই চার দিনে প্রধান বিচারপতি ও স্পিকারের সঙ্গে অধিবেশন থাকবে। তবে রাষ্ট্রপতি দেশে না থাকায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে না। প্রতিবছর জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়। এবারও প্রস্তাব আসছে।

এর মধ্যে জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইনকানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। বেশিসংখ্যক প্রস্তাব ২২টি এসেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে।

প্রধান আলোচ্য বিষয়ে থাকছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম; স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন; সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন; তথ্য, এবং ই-গভর্ন্যান্স; শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ; স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ; পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণরোধ; ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয় ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন-২০২৪ শুরু

আপডেট সময় ০২:৫৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন-২০২৪ শুরু হয়েছে আজ। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ সম্মেলনের উদ্‌বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলন উদ্বোধন ঘোষণা করবেন এবং ভাষণ দেবেন। সব মিলিয়ে সম্মেলনে এবার ৩৫৬টি আলোচ্য বিষয় থাকছে।

গত বছর এই সম্মেলন তিন দিন হলেও এবার ৩ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনে ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রায় ৩৫০টি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা।

গত বছর এই প্রস্তাবের সংখ্যা ছিল ২৪৫টি। ফলে গত বছরের চেয়ে এবার একশর বেশি প্রস্তাব করেছেন ডিসিরা। প্রতিবছর বেশির ভাগ প্রস্তাব থাকে ডিসি ও ইউএনওদের ক্ষমতা বা দায়িত্বের পরিধি বাড়ানো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসংক্রান্ত। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

এবারের ডিসি সম্মেলনে প্রথমবারের মতো সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ও পরামর্শ দেবেন। এ জন্য সম্মেলনের প্রথম দিন রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ‘উন্নয়নে মাঠ প্রশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন শনিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোট ৫৬টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার মন্ত্রী/উপদেষ্টা/প্রতিমন্ত্রী/সিনিয়র সচিব/সচিবরা সম্মেলনে অংশ নেবেন। চার দিনে স্পিকার, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে জেলা প্রশাসকরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন।

এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়বিষয়ক অধিবেশন সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দু’টি।

গত বছর তিন দিন সম্মেলন হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে তিন দিনে সকল আলোচনা সম্ভব হয় না, সেজন্য এবার চার দিনব্যাপী সম্মেলন হবে। এই চার দিনে প্রধান বিচারপতি ও স্পিকারের সঙ্গে অধিবেশন থাকবে। তবে রাষ্ট্রপতি দেশে না থাকায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে না। প্রতিবছর জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়। এবারও প্রস্তাব আসছে।

এর মধ্যে জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইনকানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। বেশিসংখ্যক প্রস্তাব ২২টি এসেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে।

প্রধান আলোচ্য বিষয়ে থাকছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম; স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন; সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন; তথ্য, এবং ই-গভর্ন্যান্স; শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ; স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ; পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণরোধ; ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয় ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ।