ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহ.) ৬৮৫তম ওরস ১৫ই জানুয়ারি শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইল এর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ২২ জানুয়ারি আসছেন তারেক রহমান প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ও দলীয় নেতারা মৌলভীবাজারে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা মৌলভীবাজারে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক বিভাগীয় পর্যায়ের জনসচেতনতামূলক কর্মশালা আগামী নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে কুয়াশা ভেদ করে দৌড়: প্রকৃতির কোলে রাজকান্দি হিল ২৫কে ম্যারাতন —– বিজিত দত্ত সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ২২ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে আসছেন তারেক রহমান, মাঠ পরিদর্শনে জেলা বিএনপি

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

মাওলানা বশির আহমদ
কুষ্টিয়ার সেউরিয়ায় বাউলদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন হয় নাচ-গানসহ নানা কর্মকাণ্ডের। কিন্তু সেখানে প্রকাশ্যে অসংগতি, অশালীনতা ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বহু ধর্মাবলম্বীর অনুভূতিতে আঘাত হানে-এ অভিযোগ বহুদিনের।

দেশের ৯০% মুসলমানের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সেই অর্থ দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা কতটা যৌক্তিক-এ প্রশ্ন আজ সকলের। শুধু আবুল বাউল নয়-যে কোনো ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, উপহাস বা আঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সরকারের দায়িত্ব।

এ ছাড়া বাউল গানের নামে বহু সময় না বুঝে ইসলামের কথা, কুরআন-হাদিসের কথা বলা হয়। বাস্তবে তারা এসব বিষয়ের ধারেকাছেও নেই। ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও দক্ষতা ছাড়া ব্যাখ্যা দেওয়া কতটা যৌক্তিক? ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের মাধ্যমে সহজ-সরল মানুষকে ভুল পথে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে-যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী যেকোনো দল-গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে প্রতিহত করা-এটাই সময়ের দাবি এবং জাতির প্রত্যাশা।

অধ্যক্ষ
উলুয়াইল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,মৌলভীবাজার

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি

আপডেট সময় ০২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

মাওলানা বশির আহমদ
কুষ্টিয়ার সেউরিয়ায় বাউলদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন হয় নাচ-গানসহ নানা কর্মকাণ্ডের। কিন্তু সেখানে প্রকাশ্যে অসংগতি, অশালীনতা ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বহু ধর্মাবলম্বীর অনুভূতিতে আঘাত হানে-এ অভিযোগ বহুদিনের।

দেশের ৯০% মুসলমানের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সেই অর্থ দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা কতটা যৌক্তিক-এ প্রশ্ন আজ সকলের। শুধু আবুল বাউল নয়-যে কোনো ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, উপহাস বা আঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সরকারের দায়িত্ব।

এ ছাড়া বাউল গানের নামে বহু সময় না বুঝে ইসলামের কথা, কুরআন-হাদিসের কথা বলা হয়। বাস্তবে তারা এসব বিষয়ের ধারেকাছেও নেই। ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও দক্ষতা ছাড়া ব্যাখ্যা দেওয়া কতটা যৌক্তিক? ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের মাধ্যমে সহজ-সরল মানুষকে ভুল পথে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে-যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী যেকোনো দল-গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে প্রতিহত করা-এটাই সময়ের দাবি এবং জাতির প্রত্যাশা।

অধ্যক্ষ
উলুয়াইল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,মৌলভীবাজার