ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বাষিক নৈশভোজ ও আলোচনা সভা যারা বেহেশত ও দোজখের টিকিট দিচ্ছে তারা শিরক করছে : মৌলভীবাজারে তারেক রহমান তারেক রহমানের সফরসঙ্গী গাড়িবহরের টোল ফি অগ্রিম দিল জেলা বিএনপি শাবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে মৌলভীবাজারে বিএনপির আনন্দ মিছিল ৪টি আসনে প্রতীক পেলেন ২৪ প্রার্থী মৌলভীবাজারে যাত্রা শুরু,অনলাইন বেইলবন্ডে দ্রুত মুক্তি পাবে আসামীরা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

মাওলানা বশির আহমদ
কুষ্টিয়ার সেউরিয়ায় বাউলদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন হয় নাচ-গানসহ নানা কর্মকাণ্ডের। কিন্তু সেখানে প্রকাশ্যে অসংগতি, অশালীনতা ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বহু ধর্মাবলম্বীর অনুভূতিতে আঘাত হানে-এ অভিযোগ বহুদিনের।

দেশের ৯০% মুসলমানের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সেই অর্থ দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা কতটা যৌক্তিক-এ প্রশ্ন আজ সকলের। শুধু আবুল বাউল নয়-যে কোনো ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, উপহাস বা আঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সরকারের দায়িত্ব।

এ ছাড়া বাউল গানের নামে বহু সময় না বুঝে ইসলামের কথা, কুরআন-হাদিসের কথা বলা হয়। বাস্তবে তারা এসব বিষয়ের ধারেকাছেও নেই। ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও দক্ষতা ছাড়া ব্যাখ্যা দেওয়া কতটা যৌক্তিক? ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের মাধ্যমে সহজ-সরল মানুষকে ভুল পথে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে-যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী যেকোনো দল-গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে প্রতিহত করা-এটাই সময়ের দাবি এবং জাতির প্রত্যাশা।

অধ্যক্ষ
উলুয়াইল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,মৌলভীবাজার

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি

আপডেট সময় ০২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

মাওলানা বশির আহমদ
কুষ্টিয়ার সেউরিয়ায় বাউলদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন হয় নাচ-গানসহ নানা কর্মকাণ্ডের। কিন্তু সেখানে প্রকাশ্যে অসংগতি, অশালীনতা ও নিষিদ্ধ দ্রব্যের ব্যবহার বহু ধর্মাবলম্বীর অনুভূতিতে আঘাত হানে-এ অভিযোগ বহুদিনের।

দেশের ৯০% মুসলমানের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সেই অর্থ দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা কতটা যৌক্তিক-এ প্রশ্ন আজ সকলের। শুধু আবুল বাউল নয়-যে কোনো ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, উপহাস বা আঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সরকারের দায়িত্ব।

এ ছাড়া বাউল গানের নামে বহু সময় না বুঝে ইসলামের কথা, কুরআন-হাদিসের কথা বলা হয়। বাস্তবে তারা এসব বিষয়ের ধারেকাছেও নেই। ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও দক্ষতা ছাড়া ব্যাখ্যা দেওয়া কতটা যৌক্তিক? ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের মাধ্যমে সহজ-সরল মানুষকে ভুল পথে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে-যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী যেকোনো দল-গোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে প্রতিহত করা-এটাই সময়ের দাবি এবং জাতির প্রত্যাশা।

অধ্যক্ষ
উলুয়াইল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,মৌলভীবাজার