ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পাওয়া গেছে দেশের অন্যতম ছোট মসজিদ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৩১২ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারে নির্মিত হয়েছে দেশের অন্যতম এক ছোট মসজিদ।মসজিদটির অবস্থান জেলার রাজনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার কাজীখন্দকার মাজারের পাশে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন,চুন,সুরকি ও ইটের তৈরি প্রায় ২০০বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের ভেতরে রয়েছে একটি মাত্র কক্ষ।

একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারতেন ইমামসহ পাঁচজন। ভেতরে জায়গা রয়েছে মাত্র ছয় ফুট। বিভিন্ন সময় সংস্কার করানোর ফলে এখনো মসজিদটির সৌন্দর্য বহাল রয়েছে। তবে এখন আর নামাজ আদায় করা হয় না এই মসজিদে। প্রায় ২০০ বছর আগে ওই এলাকার মাটির নিচে কিছু ইট পাওয়া গিয়েছিল। ইটের পাশেই ছোট এই মসজিদটির অবস্থান ছিল।

টিলার ওপরে অবস্থান হওয়ায় প্রথম দেখে বুঝার উপায় নেই এটি মসজিদ। তবে উপরিভাগের গম্বুজ জানান দিচ্ছে এটি আসলে একটি মসজিদ। ব্রাহ্মণগাঁও কাজীখন্দকার মাজারের পাশে অবস্থিত কালের সাক্ষী এই নিদর্শনটি এলাকায় ‘গায়েবি মসজিদ’ নামে পরিচিত। তবে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরে তালিকায় নেই মসজিদটি।

স্থানীয় অনেকেই জানান, তাদের পূর্বপুরুষরা বলে গেছেন, এলাকাটি একসময় গভীর অরণ্য ছিল। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর জঙ্গল কেটে আবাদি জমি তৈরির সময় মাটির নিচে এই মসজিদ পাওয়া যায়। এর পর সেটি সংস্কার করা হয়। কে কখন এটি নির্মাণ করেছেন তার সঠিক কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এটা প্রাচীন স্থাপত্য।

আলাপকালে মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ধারণা করা হয় মসজিদটি গৌড় জনপদের মধ্যযুগের স্থাপনা। তখন এই অঞ্চলে মুসলিমদের সংখ্যা কম ছিল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাওয়া গেছে দেশের অন্যতম ছোট মসজিদ

আপডেট সময় ০৯:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারে নির্মিত হয়েছে দেশের অন্যতম এক ছোট মসজিদ।মসজিদটির অবস্থান জেলার রাজনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার কাজীখন্দকার মাজারের পাশে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন,চুন,সুরকি ও ইটের তৈরি প্রায় ২০০বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের ভেতরে রয়েছে একটি মাত্র কক্ষ।

একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারতেন ইমামসহ পাঁচজন। ভেতরে জায়গা রয়েছে মাত্র ছয় ফুট। বিভিন্ন সময় সংস্কার করানোর ফলে এখনো মসজিদটির সৌন্দর্য বহাল রয়েছে। তবে এখন আর নামাজ আদায় করা হয় না এই মসজিদে। প্রায় ২০০ বছর আগে ওই এলাকার মাটির নিচে কিছু ইট পাওয়া গিয়েছিল। ইটের পাশেই ছোট এই মসজিদটির অবস্থান ছিল।

টিলার ওপরে অবস্থান হওয়ায় প্রথম দেখে বুঝার উপায় নেই এটি মসজিদ। তবে উপরিভাগের গম্বুজ জানান দিচ্ছে এটি আসলে একটি মসজিদ। ব্রাহ্মণগাঁও কাজীখন্দকার মাজারের পাশে অবস্থিত কালের সাক্ষী এই নিদর্শনটি এলাকায় ‘গায়েবি মসজিদ’ নামে পরিচিত। তবে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরে তালিকায় নেই মসজিদটি।

স্থানীয় অনেকেই জানান, তাদের পূর্বপুরুষরা বলে গেছেন, এলাকাটি একসময় গভীর অরণ্য ছিল। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর জঙ্গল কেটে আবাদি জমি তৈরির সময় মাটির নিচে এই মসজিদ পাওয়া যায়। এর পর সেটি সংস্কার করা হয়। কে কখন এটি নির্মাণ করেছেন তার সঠিক কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এটা প্রাচীন স্থাপত্য।

আলাপকালে মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ধারণা করা হয় মসজিদটি গৌড় জনপদের মধ্যযুগের স্থাপনা। তখন এই অঞ্চলে মুসলিমদের সংখ্যা কম ছিল।