ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজার কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরন মৌলভীবাজারে চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে পাথর নিক্ষেপ যাত্রীরা হতাশ মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সভাপতি মিজানুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জয়নুল হক পবিত্র রমজান উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গ্রামীণফোন ও মাস্টারকার্ডের পার্টনারশিপ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ধন্দীতায় নিয়ামুল হক বিজয়ী অনিয়ম-বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা… এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার ৪টি আসনে ১৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন রমজান উপলক্ষে মৌলভীবাজারে আত্মার আত্মীয় নগদ টাকা বিতরণ

বিএনপি এখন বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক শক্তি,তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই – এম নাসের রহমান

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র এম নাসের রহমান বলেছেন-বিএনপি এখন বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক শক্তি। তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই। সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি যদি চায়, যে নির্বাচন যতো শিগগিরই সম্ভব সেটা অন্তর্বতীকালীন সরকার দিতে বাধ্য। অন্য কোন প্রিন্স দলের কথায় নির্বাচন পিছাবে না। নির্বাচনে কার দৌড় কতো দেশের মানুষ জানেন। কালকে যদি নির্বাচন দেয় বিএনপি আড়াইশ সিটের ওপরে পাবে, ১০ মাস পরে দিলেও বিএনপি আড়াইশ সীটের মধ্যেই থাকবে। আজ শুক্রবার রাত দশটায় মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সাত নম্বর ওয়ার্ডের কমিটি গঠন উপলক্ষে শহরের টাউন ঈদগাঁও প্রাঙ্গনে বিশাল কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রিন্স দলরা আমাদেরকে এতো নসিহত করতেছে কেন? এমন প্রশ্ন রেখে নাসের রহমান বলেন,আগামীতে নির্বাচন দিলে আমাদের তো প্রতিদ্বন্ধী লাগবে। উনারা নাকি তিনশসিটে প্রার্থী দিবেন। ভাল কথা। আমরা তাদের স্বাগত জানাই। আবার প্রত্যেক দিন খবরের কাগজ দেখলে বিরক্ত লাগে। একটা নতুন দল করবে এটা ২৩ না ২৪, ২৬ না ২৮ তারিখ,মনে হচ্ছে যেন, সবাই একটা চমকের জন্য বসে আছে ? পোলাপানরা একটা দল করবে এটার জন্য কি কারও ঘুম হারাম হয়ে গেছে না কি ? পার্টি হবে। আসবে । করবে ? এটার মধ্যে আহমরির কি আছে? উনারা দল করতে চান দল করুক । মানা করছে কে? তবে ক্ষমতায় থেকে দল করবে? তাহলে তো অর্ন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে দেশের জনগণের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিবে। আর চারশটা থানার কমিটি করে ফেললেই কি এসব কমিটি ভোট দিয়ে দিবে? এরকম কমিটি তো জাতীয় পার্টিরও আছে কিন্তু সারা বাংলাদেশে তাদের কি ভোট আছে ? আজকে জাতীয় পার্টি কোথায় ? ইতিহাস। আজকে আওয়ামী লীগ কোথায়? ইতিহাস। কিন্তু জনগণের সাথে যে দল রাজনীতি করে সে দল বিএনপি জনগণের ভালবাসায় বিএনপি যে জায়গায় ছিল সেই জায়গাতেই আছে।

 

নাসের রহমান বলেন- বিগত সাড়ে পনেরটা বছর মাফিয়া শেখ হাসিনা আর তার পুলিশ লীগ বিএনপি কে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কম অত্যাচার করেছে ? আমাদের দলের চেয়ারম্যান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় জেলে ঢুকিয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানোয়াট মামলা দিয়ে দেশে আসতে দেয়নি। কই বিএনপির কিছু হয়েছে? বিএনপির কিছু হয়নি। শত জুলুম নির্যাতনের মাঝেও বিএনপি তারেক রহমানের নেত্বত্বে মাথা উঁচু করে দেশের জনগণের ভালবাসায় দাঁড়িয়ে আছে।

 

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কার ভালো জিনিস। কয়টা কমিশনে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে হয়তো যুক্তিযুক্ত। কিন্তু এসব সংস্কারের প্রস্তাব তো এক দেড় বছর আগে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অলরেডি দিয়েছেন। যে দুইবারের বেশি একজন প্রধান মন্ত্রী থাকতে পারবেন না। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে। প্রধান মন্ত্রীর ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। এসব তো বিএনপি অনেক আগেই সংস্কারের প্রস্তবনা দিয়েছে। তিনি বলেন-হ্যাঁ এই পুলিশ কে রিফর্ম করা,নির্বাচন কমিশনকে রিফর্ম করা,জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনকে রিফর্ম করা ইত্যাদি ভালো ভালো প্রস্তাবনা করেছে কমিশনগুলো। এসব সংস্কার বিএনপি নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলেই প্রায় সবই বাস্তবায়িত হবে। তার জন্য তো নির্বাচন পিছাই যেতে পারে না? একদল আছে বলেই আসছে, আগে সংস্কার এর পর নির্বাচন? এটা তো অযৌক্তিক কথা বার্তা। আর যদি সংস্কার বাস্তবায়ন করতেই হয় তাহলে তো আগামী ছয় মাসের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কিন্তু এগুলো কে বিল আকারে বৈধতা কে দিবে? নতুন জাতীয় সংসদকেই দিতে হবে। এই সংস্কার সংস্কার করতে করতে মুখ দিয়ে ফেনা বের করে দিয়ে তারপর দেখা গেল সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারেন নাই। কিন্তু সাংবিধানিক সংস্কার পার্লামেন্ট ছাড়া এটা হবে না। সাংবিধানিক সংস্কারটার একটা প্রস্তাবনা থাকবে এটা বাস্তবায়ন করবে নতুন সংসদ। আর বাকি সব সংস্কার এখনই সরকার করতে পারে।

 

স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার কথা বলে নাসের রহমান বলেন- আমাদের আগে ঠিক করতে হবে উপজেলা সিস্টেমটা রেখে লাভ আছে কি না? স্থানীয় সরকার নির্বাচন বলতে ইউনিয়ন পরিষদ,পৌরসভা। উপজেলা সিষ্টেমটা এখনও পর্যন্ত কার্যকরী কোন ভুমিকা পালন করেনি। উপজেলা চেয়ারম্যান যে হয় তাকে ইউএনও পাত্তা দেয় না। আরেকটা অথর্ব সিস্টেম হল জেলা পরিষদ। এখানে সরকারের টাকা অপচয় করা ছাড়া এটির আর কোন কাজ নেই। আর উপজেলা চেয়ারম্যান উনার বেতন গাড়ির খরচ বাবত সরকারে ব্যয় ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের কোন কাজ নেই। আর ভাইস চেয়ারম্যানদের তো সরকারের বেতনভাতা নেয়া ছাড়া কোনও কাজই নেই।

 

মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ মমশাদ আহমদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক সরওযার মজুমদার ইমনের পরিচালনায়।

 

সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন,মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো.ফখরুল ইসলাম, বকসী মিসবাউর রহমান,জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মো.আয়াছ আহমদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান,জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত,জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান প্রমূখ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপি এখন বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক শক্তি,তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই – এম নাসের রহমান

আপডেট সময় ০৮:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র এম নাসের রহমান বলেছেন-বিএনপি এখন বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক শক্তি। তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই। সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি যদি চায়, যে নির্বাচন যতো শিগগিরই সম্ভব সেটা অন্তর্বতীকালীন সরকার দিতে বাধ্য। অন্য কোন প্রিন্স দলের কথায় নির্বাচন পিছাবে না। নির্বাচনে কার দৌড় কতো দেশের মানুষ জানেন। কালকে যদি নির্বাচন দেয় বিএনপি আড়াইশ সিটের ওপরে পাবে, ১০ মাস পরে দিলেও বিএনপি আড়াইশ সীটের মধ্যেই থাকবে। আজ শুক্রবার রাত দশটায় মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সাত নম্বর ওয়ার্ডের কমিটি গঠন উপলক্ষে শহরের টাউন ঈদগাঁও প্রাঙ্গনে বিশাল কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রিন্স দলরা আমাদেরকে এতো নসিহত করতেছে কেন? এমন প্রশ্ন রেখে নাসের রহমান বলেন,আগামীতে নির্বাচন দিলে আমাদের তো প্রতিদ্বন্ধী লাগবে। উনারা নাকি তিনশসিটে প্রার্থী দিবেন। ভাল কথা। আমরা তাদের স্বাগত জানাই। আবার প্রত্যেক দিন খবরের কাগজ দেখলে বিরক্ত লাগে। একটা নতুন দল করবে এটা ২৩ না ২৪, ২৬ না ২৮ তারিখ,মনে হচ্ছে যেন, সবাই একটা চমকের জন্য বসে আছে ? পোলাপানরা একটা দল করবে এটার জন্য কি কারও ঘুম হারাম হয়ে গেছে না কি ? পার্টি হবে। আসবে । করবে ? এটার মধ্যে আহমরির কি আছে? উনারা দল করতে চান দল করুক । মানা করছে কে? তবে ক্ষমতায় থেকে দল করবে? তাহলে তো অর্ন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে দেশের জনগণের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিবে। আর চারশটা থানার কমিটি করে ফেললেই কি এসব কমিটি ভোট দিয়ে দিবে? এরকম কমিটি তো জাতীয় পার্টিরও আছে কিন্তু সারা বাংলাদেশে তাদের কি ভোট আছে ? আজকে জাতীয় পার্টি কোথায় ? ইতিহাস। আজকে আওয়ামী লীগ কোথায়? ইতিহাস। কিন্তু জনগণের সাথে যে দল রাজনীতি করে সে দল বিএনপি জনগণের ভালবাসায় বিএনপি যে জায়গায় ছিল সেই জায়গাতেই আছে।

 

নাসের রহমান বলেন- বিগত সাড়ে পনেরটা বছর মাফিয়া শেখ হাসিনা আর তার পুলিশ লীগ বিএনপি কে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কম অত্যাচার করেছে ? আমাদের দলের চেয়ারম্যান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় জেলে ঢুকিয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানোয়াট মামলা দিয়ে দেশে আসতে দেয়নি। কই বিএনপির কিছু হয়েছে? বিএনপির কিছু হয়নি। শত জুলুম নির্যাতনের মাঝেও বিএনপি তারেক রহমানের নেত্বত্বে মাথা উঁচু করে দেশের জনগণের ভালবাসায় দাঁড়িয়ে আছে।

 

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কার ভালো জিনিস। কয়টা কমিশনে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে হয়তো যুক্তিযুক্ত। কিন্তু এসব সংস্কারের প্রস্তাব তো এক দেড় বছর আগে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অলরেডি দিয়েছেন। যে দুইবারের বেশি একজন প্রধান মন্ত্রী থাকতে পারবেন না। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে। প্রধান মন্ত্রীর ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। এসব তো বিএনপি অনেক আগেই সংস্কারের প্রস্তবনা দিয়েছে। তিনি বলেন-হ্যাঁ এই পুলিশ কে রিফর্ম করা,নির্বাচন কমিশনকে রিফর্ম করা,জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনকে রিফর্ম করা ইত্যাদি ভালো ভালো প্রস্তাবনা করেছে কমিশনগুলো। এসব সংস্কার বিএনপি নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলেই প্রায় সবই বাস্তবায়িত হবে। তার জন্য তো নির্বাচন পিছাই যেতে পারে না? একদল আছে বলেই আসছে, আগে সংস্কার এর পর নির্বাচন? এটা তো অযৌক্তিক কথা বার্তা। আর যদি সংস্কার বাস্তবায়ন করতেই হয় তাহলে তো আগামী ছয় মাসের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কিন্তু এগুলো কে বিল আকারে বৈধতা কে দিবে? নতুন জাতীয় সংসদকেই দিতে হবে। এই সংস্কার সংস্কার করতে করতে মুখ দিয়ে ফেনা বের করে দিয়ে তারপর দেখা গেল সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারেন নাই। কিন্তু সাংবিধানিক সংস্কার পার্লামেন্ট ছাড়া এটা হবে না। সাংবিধানিক সংস্কারটার একটা প্রস্তাবনা থাকবে এটা বাস্তবায়ন করবে নতুন সংসদ। আর বাকি সব সংস্কার এখনই সরকার করতে পারে।

 

স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার কথা বলে নাসের রহমান বলেন- আমাদের আগে ঠিক করতে হবে উপজেলা সিস্টেমটা রেখে লাভ আছে কি না? স্থানীয় সরকার নির্বাচন বলতে ইউনিয়ন পরিষদ,পৌরসভা। উপজেলা সিষ্টেমটা এখনও পর্যন্ত কার্যকরী কোন ভুমিকা পালন করেনি। উপজেলা চেয়ারম্যান যে হয় তাকে ইউএনও পাত্তা দেয় না। আরেকটা অথর্ব সিস্টেম হল জেলা পরিষদ। এখানে সরকারের টাকা অপচয় করা ছাড়া এটির আর কোন কাজ নেই। আর উপজেলা চেয়ারম্যান উনার বেতন গাড়ির খরচ বাবত সরকারে ব্যয় ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের কোন কাজ নেই। আর ভাইস চেয়ারম্যানদের তো সরকারের বেতনভাতা নেয়া ছাড়া কোনও কাজই নেই।

 

মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ মমশাদ আহমদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক সরওযার মজুমদার ইমনের পরিচালনায়।

 

সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন,মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো.ফখরুল ইসলাম, বকসী মিসবাউর রহমান,জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মো.আয়াছ আহমদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান,জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত,জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান প্রমূখ।