ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারের মেয়ে অর্পিতা যন্ত্রসংগীতে দেশসেরা

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৮২৪ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় মৌলভীবাজারের মেয়ে অর্পিতা সূত্রধর যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগে দেশসেরা হয়ে স্বর্ণপদক জয় করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার ২০২১ এর জাতীয় পর্যায়ে যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজারের আলী আমজাদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্পিতা সূত্রধর। তিনি বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল মা-বাবা, মেঝমাসি ও শিক্ষাগুরুদের এতদিনের কষ্টকে সার্থক রূপ দিতে, আজ তা পূর্ণ হলো। এটাই আমার আনন্দ, এটাই আমার সুখ। সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ ও দোয়া করবেন।’

অর্পিতার পিতা সুব্রত সুত্রধর বলেন, ‘আমরা পিতা-মাতা হিসেবে গর্বিত আজ। অর্পিতার এই সাফল্যের পেছনে যার অবদান আমৃত্যু থাকবে তিনি হচ্ছেন তার মেঝ মাসি স্বপ্না সূত্রধর। আমাদের অর্পিতাকে যারা ভালোবেসে, আদর করে এতটুকু পথ পাড়ি দিতে সঠিক পরামর্শ, দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন উনাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

যন্ত্র শিক্ষক প্রীতম দত্ত সজীব বলেন, ‘তার এই প্রতিভা আরও বিকশিত হোক। আগামী দিনগুলোতে ভালো কিছু তার জীবনে বয়ে আসুক। রাষ্ট্র এবং সমাজের জন্য তার অবদান হোক কল্যাণকর।’

সঙ্গীত শিক্ষক মীর ইউসুফ আলী জানান, অর্পিতা জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০২১-এ যন্ত্রসংগীতে (কি-বোর্ডে) সিলেটের ইতিহাসে প্রথম মেয়ে হিসেবে জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় যন্ত্রসঙ্গীতে (কি-বোর্ড) ১ম, ভাবসংগীতে ২য় এবং চিত্রাঙ্কনে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। অর্পিতা ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সালে লোকগীতি, ভাবসঙ্গীত ও চিত্রাঙ্কনেও সিলেট বিভাগের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে। এবারও সে যন্ত্রসঙ্গীতে সিলেট বিভাগের হয়ে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগে দেশসেরা হয়েছে, তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

জেলার শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসিম মাসুদ জানান, সোনাজয়ী কন্যা অর্পিতা সূত্রধর গর্বিত করল মৌলভীবাজার জেলাকে। অর্পিতার মেধা ও নিরলস পরিশ্রম, পিতামাতার প্রচেষ্টা এবং শিক্ষকের যথাযথ তত্ত্বাবধানে সে যন্ত্রসংগীতে সারাদেশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তার এই অভাবনীয় সাফল্য জেলার অন্য শিশুদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। অর্পিতার এই স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত থাকুক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মৌলভীবাজারের মেয়ে অর্পিতা যন্ত্রসংগীতে দেশসেরা

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় মৌলভীবাজারের মেয়ে অর্পিতা সূত্রধর যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগে দেশসেরা হয়ে স্বর্ণপদক জয় করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার ২০২১ এর জাতীয় পর্যায়ে যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজারের আলী আমজাদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্পিতা সূত্রধর। তিনি বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল মা-বাবা, মেঝমাসি ও শিক্ষাগুরুদের এতদিনের কষ্টকে সার্থক রূপ দিতে, আজ তা পূর্ণ হলো। এটাই আমার আনন্দ, এটাই আমার সুখ। সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ ও দোয়া করবেন।’

অর্পিতার পিতা সুব্রত সুত্রধর বলেন, ‘আমরা পিতা-মাতা হিসেবে গর্বিত আজ। অর্পিতার এই সাফল্যের পেছনে যার অবদান আমৃত্যু থাকবে তিনি হচ্ছেন তার মেঝ মাসি স্বপ্না সূত্রধর। আমাদের অর্পিতাকে যারা ভালোবেসে, আদর করে এতটুকু পথ পাড়ি দিতে সঠিক পরামর্শ, দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন উনাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

যন্ত্র শিক্ষক প্রীতম দত্ত সজীব বলেন, ‘তার এই প্রতিভা আরও বিকশিত হোক। আগামী দিনগুলোতে ভালো কিছু তার জীবনে বয়ে আসুক। রাষ্ট্র এবং সমাজের জন্য তার অবদান হোক কল্যাণকর।’

সঙ্গীত শিক্ষক মীর ইউসুফ আলী জানান, অর্পিতা জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০২১-এ যন্ত্রসংগীতে (কি-বোর্ডে) সিলেটের ইতিহাসে প্রথম মেয়ে হিসেবে জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় যন্ত্রসঙ্গীতে (কি-বোর্ড) ১ম, ভাবসংগীতে ২য় এবং চিত্রাঙ্কনে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। অর্পিতা ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সালে লোকগীতি, ভাবসঙ্গীত ও চিত্রাঙ্কনেও সিলেট বিভাগের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে। এবারও সে যন্ত্রসঙ্গীতে সিলেট বিভাগের হয়ে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে যন্ত্রসংগীত (কি-বোর্ড) বিভাগে দেশসেরা হয়েছে, তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

জেলার শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসিম মাসুদ জানান, সোনাজয়ী কন্যা অর্পিতা সূত্রধর গর্বিত করল মৌলভীবাজার জেলাকে। অর্পিতার মেধা ও নিরলস পরিশ্রম, পিতামাতার প্রচেষ্টা এবং শিক্ষকের যথাযথ তত্ত্বাবধানে সে যন্ত্রসংগীতে সারাদেশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তার এই অভাবনীয় সাফল্য জেলার অন্য শিশুদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। অর্পিতার এই স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত থাকুক।