1. moulvibazar24.backup@gmail.com : admin :
  2. mrrahel7@gmail.com : rahel Ahmed : rahel Ahmed
  3. bm.ssc.batb@gmail.com : Shahab Ahmed : Shahab Ahmed
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

মৌলভীবাজারে ঈদের আমেজ কাটাতে পর্যটকদের আগমন

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২
  • ৩৬০ পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি:  চায়ের দেশ মৌলভীবাজারে ঈদের আমেজ কাটাতে ও প্রকৃতির ছোয়ায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা এসে ভীড় করছেন। ঈদের দিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসা ভ্রমন পিপাসুদের পদভারে মুখরিত জেলার বিভিন্ন ভ্রমণ স্পট।

চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ও পার্শবর্তী উপজেলা কমলগঞ্জের বিভিন্ন স্পটে এখন ভিড় করছেন পর্যটকরা।

এ ছাড়াও জেলার বড়লেখার মাদবকুন্ড জলপ্রপাতের সুন্দর্য উপভোগ করতে প্রচুর পরিমান পর্যটক এসেছেন।

কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্পট। আর দুই উপজেলা জুড়ে রয়েছে সবুজে আচ্ছাধিত অনেক গুলো চা বাগান। একটু বৃষ্টির ছোয়া পেয়ে চা বাগানগুলো গাড় সবুজ হয়ে প্রকৃতির রঙে সেজেছে। এ যেনো সবুজের ঢেউ তোলা পাহাড়ী সাগর।

এছাড়া লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাদবকুন্ড জলপ্রপাত, মাদবপুর লেক, রমেশের সাত কালার চায়ের দোকান (নিলকণ্ঠ) ও বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন (সিতেশ বাবুর ছিড়িয়াখানা) সহ সব গুলো ভ্রমণ স্পটে ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঈদ ও টানা ছুটি পেয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চায়ের দেশ মৌলভীবাজারের সোন্দর্য উপভোগ করার জন্য পরিবার পরিজনসহ ছোটে এসেছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। প্রতিবছরই এ জেলায় প্রচুর পরিমান পর্যটকদের আগমন ঘটে। গত দুই বছর করোনার উপ্রাদুর্ভাব থাকায় অনেকটা ঘরবন্ধী অবস্থায় ছিলেন পর্যটকরা। তাই পর্যটন সমাগম তেমন একটা হয়নি। করোনার প্রভাব কমে আসায় নির্ভিগ্নে প্রাকৃতির ছোয়া নিতে এক স্পট থেকে অন্য স্পটে ঘুরে বেড়াচ্ছে নপর্যটকরা। ঈদকে সামনে রেখে জেলা পুলিশ আগাম সতর্কতামূলক প্রদক্ষেপ নিয়ে রেখেছে। জেলায় ব্যাপক পর্যটক আগমনের সম্ভবনা থাকায় নিরাপত্তা দিতে থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যরিস্ট পুলিশ রয়েছে সতর্কতার সাথে মাঠে তৎপর রয়েছে।

ঈদের পরের দিন বুধবার বিকেলে কয়েকটি স্পটে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা সুন্দর্য উপভোগ করছেন। সবুজ গালিচায় ঢাকা চা বাগানের বিভিন্ন টিলায় পর্যটকরা প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ফটো তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিকেলে বধ্যভুমি একাত্তর ও নীলকণ্ঠ চায়ের দোকানে গিয়ে পর্যটকদের ভীড় দেখা যায়। প্রচুর পর্যটক আসায় মনীপুরি কাপড়ের দোকানে কাপড় কিনতে পর্যটকদের ভিড় করছেন।

গত দুই বছর করোনার উপ্রাদুর্ভাব থাকায় অনেকটা ঘরবন্ধী অবস্থায় ছিলেন পর্যটকরা। এবার করোনার প্রভাব কমে আসায় নির্ভিগ্নে প্রাকৃতির ছোয়া নিতে এক স্পট থেকে অন্য স্পটে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানান বয়সী নপর্যটকরা। অপরদিকে ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে ছোটে আসা পর্যটকদের সামাল দিতে হোটেল, মুটেল ব্যবসায়ীরা ব্যস্থ সময় পার করছেন।

গ্রান্ড সেলিম রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সেলিম আহমদ জানান, রোজার মাসে পর্যটন শুন্য থাকায় থমকে ছিলো পর্যটন ব্যবসা। ঈদ উপলক্ষে চাহিদার ছেয়ে বেশি পর্যটক আসায় রোজার মাসের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে তিনি আসাবাদী। শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গ্রান্ড সুলতান রিসোর্ট এন্ড গলফসহ প্রায় ৭০টির মতো বিভিন্ন মানের হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও গেস্টহাউজ রয়েছে।

এছাড়াও মৌলভীবাজারে রয়েছে নামীদামি আরো অনেকগুলো রিসোর্ট। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের আগেই এসব রিসোর্টসহ বিভিন্ন হোটেল, রেস্ট হাউজ ও কটেজ বুকিং হয়ে গেছে। অন্যবারের তোলনায় এবার বেশি পর্যটক আসায় এ জেলায় পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা খুশি।

নিউজটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই সংক্রান্ত আরোও খবর