ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
খালেদা জিয়া জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়ে গেছে’ শ্রীমঙ্গলে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধু কুয়াশা ভেদ করে দৌড়ের উচ্ছ্বাস মৌলভীবাজারে বেঙ্গল কনভেনশন হাফ ম্যারাথন মৌলভীবাজারে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় জেলা বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় মৌলভীবাজারে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জেঁকে বসেছে মৌলভীবাজারে হাড়কাঁপানো শীত শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিল ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর শাখা কোটচাঁদপুর স্ত্রীর অধিকার চেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন মায়ের জন্য দোয়া ও তার পক্ষে ক্ষমা চাইলেন তারেক রহমান স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় দেশমাতা খালেদা জিয়া

মৌলভীবাজারে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২
  • / ১৩৭৩ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বোর্ড এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও কে এম হাফিজুল আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আব্দুল আজিজ ওরফে হাবুল, আব্দুল মান্নান ও আব্দুল মতিন। এর মধ্যে আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য ১৯ মে দিন ধার্য করেছিলেন।
গত ১২ এপ্রিল উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি যেকোনো দিন (সিএভি) রায় ঘোষণার জন্য রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর এ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ করা হয়। তদন্তে তিন আসামির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মতো পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বড়লেখার তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ১ মার্চ মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর ২ মার্চ আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মান্নানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। আসামি দুই সহোদর আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মতিন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা প্রশিক্ষণ নিতে ভারতের বারপুঞ্জিতে যান। কিন্তু প্রশিক্ষণরত অবস্থায় পালিয়ে এসে তারা রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। আসামি আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বোর্ড এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও কে এম হাফিজুল আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আব্দুল আজিজ ওরফে হাবুল, আব্দুল মান্নান ও আব্দুল মতিন। এর মধ্যে আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য ১৯ মে দিন ধার্য করেছিলেন।
গত ১২ এপ্রিল উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি যেকোনো দিন (সিএভি) রায় ঘোষণার জন্য রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর এ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ করা হয়। তদন্তে তিন আসামির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মতো পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বড়লেখার তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ১ মার্চ মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর ২ মার্চ আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মান্নানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। আসামি দুই সহোদর আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মতিন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা প্রশিক্ষণ নিতে ভারতের বারপুঞ্জিতে যান। কিন্তু প্রশিক্ষণরত অবস্থায় পালিয়ে এসে তারা রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। আসামি আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে