ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার জেলায় এখন ঘরে ঘরে জ্বর,সর্দি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২
  • / ৪৪০ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: প্রবাসী ও পর্যটন অধ্যুষিত সীমান্তবর্তী মৌলভীবাজার জেলায় এখন ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি ও কাশি। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হারও।

বন্যাকবলিত জেলার বিভিন্ন উপজেলায়  প্রায় প্রতিটি ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রত্যেক ঘরের কেউ না কেউ জ্বর বা সর্দি আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বর ও সর্দি-কাশি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও অধিকাংশ মানুষের করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ নেই। ফলে পানিবাহিত রোগের পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।

জ্বর ও সর্দি-কাশিতে নাম প্রকাশে অনিচুক বলেন পরিবারের ৫ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে সবাই সেবন করছেন। ৪ দিন হলেও এখনো জ্বর কমেনি।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরীক্ষা করালে তো করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসতে পারে। তাই পরীক্ষা করাচ্ছি না।

বিভিন্ন ফার্মেসি ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- গত কয়েকদিনে জ্বর, সর্দি ও কাশির ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই নাপা, প্যারাসিটামল, হিস্টাসিনসহ বিভিন্ন ওষুধ সেবন করছেন। এসব ওষুধ খেয়ে দুই তিন দিনের মধ্যে অনেকের জ্বর ভালো হয়েছে বলে দাবি করেন ফার্মেসি ব্যবসায়ীরা।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখন ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে দিনের বেলায় প্রচুর গরম, আবার তার ভেতরে হঠাৎ বৃষ্টি চলে এলো। কেউ কেউ একটু  বৃষ্টিতেও ভিজল, ফলে হঠাৎ প্রচুর গরম থেকে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল জ্বর চলে আসে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সরকার নতুন করে মাস্ক পরার নির্দেশনা দিলেও তা রয়ে গেছে কাগজেই। সরকারি—বেসরকারি অফিস আদালত থেকে শুরু করে হাসপাতাল, হাট বাজার কোথাও মাস্কের ব্যবহার নেই। এতে করে দ্রুত করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মৌলভীবাজার জেলায় এখন ঘরে ঘরে জ্বর,সর্দি

আপডেট সময় ০৪:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: প্রবাসী ও পর্যটন অধ্যুষিত সীমান্তবর্তী মৌলভীবাজার জেলায় এখন ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি ও কাশি। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হারও।

বন্যাকবলিত জেলার বিভিন্ন উপজেলায়  প্রায় প্রতিটি ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রত্যেক ঘরের কেউ না কেউ জ্বর বা সর্দি আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বর ও সর্দি-কাশি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও অধিকাংশ মানুষের করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ নেই। ফলে পানিবাহিত রোগের পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।

জ্বর ও সর্দি-কাশিতে নাম প্রকাশে অনিচুক বলেন পরিবারের ৫ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে সবাই সেবন করছেন। ৪ দিন হলেও এখনো জ্বর কমেনি।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরীক্ষা করালে তো করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসতে পারে। তাই পরীক্ষা করাচ্ছি না।

বিভিন্ন ফার্মেসি ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- গত কয়েকদিনে জ্বর, সর্দি ও কাশির ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই নাপা, প্যারাসিটামল, হিস্টাসিনসহ বিভিন্ন ওষুধ সেবন করছেন। এসব ওষুধ খেয়ে দুই তিন দিনের মধ্যে অনেকের জ্বর ভালো হয়েছে বলে দাবি করেন ফার্মেসি ব্যবসায়ীরা।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখন ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে দিনের বেলায় প্রচুর গরম, আবার তার ভেতরে হঠাৎ বৃষ্টি চলে এলো। কেউ কেউ একটু  বৃষ্টিতেও ভিজল, ফলে হঠাৎ প্রচুর গরম থেকে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল জ্বর চলে আসে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সরকার নতুন করে মাস্ক পরার নির্দেশনা দিলেও তা রয়ে গেছে কাগজেই। সরকারি—বেসরকারি অফিস আদালত থেকে শুরু করে হাসপাতাল, হাট বাজার কোথাও মাস্কের ব্যবহার নেই। এতে করে দ্রুত করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।