ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার -৩ জাসদের প্রার্থী আব্দুল মোসাব্বির

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ২৮০৬ বার পড়া হয়েছে
জীবন-বৃত্তান্ত
আব্দুল মোসাব্বির ১৯৫৪ সালের ১০ই অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ বাড়ন্তী গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ মন্তাজ। মাতার নাম কয়েদ বানু। পিতা ব্রিটিশ আমল থেকে দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছিলেন।
পড়াশোনা দক্ষিন বাড়ন্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজমনি উচ্চ বিদ্যালয়, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ও যুক্তরাষ্ট্রে। রাজনীতি শুরু স্কুল জীবন থেকে। ১৯৬৬ সালে ‘শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতি’ ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’ আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগে যোগদান। ১৯৬৭-৬৮ সালে আজমনি উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ৬৮-৬৯ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন । বাঙালির মুক্তিসনদ বঙ্গবন্ধু ৬ দফা, ছাত্রলীগ, ডাকসু ও ছাত্র ইউনিয়ন উভয় গ্রুপ প্রণীত ১১-দফার আন্দোলন এবং ৬৯ গণ অভ্যুত্থানে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৭০-এর নির্বাচনে “নৌকা মার্কায়” আওয়ামী লীগের পক্ষে মৌলভীবাজার ও রাজনগর উপজেলায় ছাত্রলীগের কর্মী বাহিনী নিয়ে জনসংযোগ করেন। ১৯৭১ সালের ৪ঠা জানুয়ারী ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৩নং কামালপুর ইউনিয়ন অফিসে আওয়ামীলীগের পতাকা উত্তোলন করার কারণে কুমিল্লা সামরিক আদালত রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার প্রধান আসামী হিসেবে অভিযুক্ত হন। স্বাধীনতা সংগ্রামে “জয়বাংলা” বাহিনী সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (মুজিব বাহিনী)’র যোগদান। ১৯৭২ সালে মৌলভীবাজার কলেজ ছাত্রসংসদের নির্বাচনে জাসদ ছাত্রলীগ থেকে আপ্যায়ন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। ১৯৭২ সালে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং মৌলভীবাজার কলেজ শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রীক দল-জাসদের প্রতিষ্ঠাতা কর্মী।
১৯৭৫ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন। ১৯৭৯ সালের ৯ই জানুয়ারী বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম জার্মানীতে গমন। ১৯৮২ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর পশ্চিম জার্মান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী একজন প্রবাসী। ১৯৮৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্যান অ্যামেরিকান স্কুল অফ ট্রাভেল-এ টুরিজম, ট্রাভেলস অ্যান্ড অ্যায়ারলাইন ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে লেখাপড়া করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ট্যুরিজম, ট্রাভেলস ব্যবসায় জরিত। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ফ্রন্ট নিউইয়র্ক প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৫ সালে “বাংলাদেশ ফ্রন্ট নিউইয়র্ক” কর্তৃক ৬ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপিতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে জেনারেল এরশাদ ও তার সরকারের নিঃশর্ত পদত্যাগ দাবি করেন।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, এই সরকারের তত্ত্বাবধানে সংসদ নির্বাচন, সংসদ সদস্যগণ সংসদে বসে ঠিক করবেন কোন পদ্ধতির সরকার হবে-সংসদীয় না রাষ্ট্রপতি শাসিত। স্মারকলিপির দাবি ১৯৯০ সালে তিন জোটের রূপরেখায় স্থান পায় এবং এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। অন্যান্য দাদি ছিলো ঢাক-নিউইয়র্ক-ঢাকা বিমানের ফ্লাইট চালু ও সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা নিউউয়র্কে প্রতিষ্ঠা। ১৯৮৭ সালে ওয়াশিংটনে হাউস অফ কংগ্রেসে কংগ্রেসম্যান সোলারজ কর্তৃক বাংলাদেশের সামরিক সরকারের কার্যকলাপের উপর শুনানীতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জাসদের প্রতিষ্টাতা সভাপতি। ১৯৮৯ সালে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড এস্টোরিয়া হোটেলে অনুষ্টিত স্যোসালিস্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে যোগদান করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। কনফারেন্সে সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর মি. উইলি ব্রান্ড এবং অস্টেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করে বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ৮ দলীয়, ৭ দলীয় ও ৫ দলীয় জোটকে সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান। চ্যান্সেলর উইলি ব্রান্ড ছিলেন কনফারেন্সের সভাপতি। ১৯৯২ সালে নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির কনভেনশনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর প্রতিনিধি হয়ে যোগদান করেন। কনভেনশনে শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনু উপস্থিত ছিলেন।
১৯৯১ সালে গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব এ. এস. এম. মোস্তাফিজুর রহমান নিউইয়র্ক অবস্থানকালে তাঁর কাছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি সম্মলিত স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। ১৯৮৫ সালের স্মারকলিপি দাবিগুলোর মধ্যে ছিলো। ১। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমান অফিস স্থাপন। ২। সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপন। ৩। প্রবাসী মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা। ৪। জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্য ১০টি আসন সংরক্ষণ। ৫। প্রবাসীর মৃতদেহ বিনা ভাড়ায় বিমানে বহন। ৬। কাস্টম ও ইমিগ্রেশনের হয়রানি বন্ধ। ৭। প্রবাসীদের অর্থ শিল্পকারখানায় বিনিয়োগের সরকারি পদক্ষেপ। ৮। প্রবাসীদের ভোটাধিকার। ৯। প্রবাসীদের ছাত্র-ছাত্রী ছেলে-মেয়েদের জন্য বাংলাদেশ বিমানে স্টুডেন্ট ডিসকাউন্ট প্রবর্তন। ১৯৯৫ সালের গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
স্মারকলিপির দাবিগুলো ১। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা। ২। প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকার। ৩। প্রবাসী মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা। ৪। ঋণ খেলাপি ও যুদ্ধ অপরাধীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনা। ৫। জাতীয় সংসদে প্রবাসী প্রতিনিধিত্ব ও প্রবাসীদের অর্থ বাংলাদেশে শিল্প কারখানায় বিনিয়োগের সরকারী সুযোগ-সুবিধা প্রদান। ২৯.১১.২০২৩ ইং তারিখে মৌলভীবাজার ৩ সংসদীয় আসন (সদর ও রাজনগর) আসনে মনোনয়ন দাখিল করেন। ৪.১২.২০২৩ ইং মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার -৩ জাসদের প্রার্থী আব্দুল মোসাব্বির

আপডেট সময় ১০:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
জীবন-বৃত্তান্ত
আব্দুল মোসাব্বির ১৯৫৪ সালের ১০ই অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ বাড়ন্তী গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ মন্তাজ। মাতার নাম কয়েদ বানু। পিতা ব্রিটিশ আমল থেকে দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছিলেন।
পড়াশোনা দক্ষিন বাড়ন্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজমনি উচ্চ বিদ্যালয়, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ও যুক্তরাষ্ট্রে। রাজনীতি শুরু স্কুল জীবন থেকে। ১৯৬৬ সালে ‘শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতি’ ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’ আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগে যোগদান। ১৯৬৭-৬৮ সালে আজমনি উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ৬৮-৬৯ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন । বাঙালির মুক্তিসনদ বঙ্গবন্ধু ৬ দফা, ছাত্রলীগ, ডাকসু ও ছাত্র ইউনিয়ন উভয় গ্রুপ প্রণীত ১১-দফার আন্দোলন এবং ৬৯ গণ অভ্যুত্থানে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৭০-এর নির্বাচনে “নৌকা মার্কায়” আওয়ামী লীগের পক্ষে মৌলভীবাজার ও রাজনগর উপজেলায় ছাত্রলীগের কর্মী বাহিনী নিয়ে জনসংযোগ করেন। ১৯৭১ সালের ৪ঠা জানুয়ারী ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৩নং কামালপুর ইউনিয়ন অফিসে আওয়ামীলীগের পতাকা উত্তোলন করার কারণে কুমিল্লা সামরিক আদালত রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার প্রধান আসামী হিসেবে অভিযুক্ত হন। স্বাধীনতা সংগ্রামে “জয়বাংলা” বাহিনী সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (মুজিব বাহিনী)’র যোগদান। ১৯৭২ সালে মৌলভীবাজার কলেজ ছাত্রসংসদের নির্বাচনে জাসদ ছাত্রলীগ থেকে আপ্যায়ন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। ১৯৭২ সালে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং মৌলভীবাজার কলেজ শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রীক দল-জাসদের প্রতিষ্ঠাতা কর্মী।
১৯৭৫ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন। ১৯৭৯ সালের ৯ই জানুয়ারী বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম জার্মানীতে গমন। ১৯৮২ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর পশ্চিম জার্মান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী একজন প্রবাসী। ১৯৮৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্যান অ্যামেরিকান স্কুল অফ ট্রাভেল-এ টুরিজম, ট্রাভেলস অ্যান্ড অ্যায়ারলাইন ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে লেখাপড়া করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ট্যুরিজম, ট্রাভেলস ব্যবসায় জরিত। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ফ্রন্ট নিউইয়র্ক প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৫ সালে “বাংলাদেশ ফ্রন্ট নিউইয়র্ক” কর্তৃক ৬ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপিতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে জেনারেল এরশাদ ও তার সরকারের নিঃশর্ত পদত্যাগ দাবি করেন।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, এই সরকারের তত্ত্বাবধানে সংসদ নির্বাচন, সংসদ সদস্যগণ সংসদে বসে ঠিক করবেন কোন পদ্ধতির সরকার হবে-সংসদীয় না রাষ্ট্রপতি শাসিত। স্মারকলিপির দাবি ১৯৯০ সালে তিন জোটের রূপরেখায় স্থান পায় এবং এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। অন্যান্য দাদি ছিলো ঢাক-নিউইয়র্ক-ঢাকা বিমানের ফ্লাইট চালু ও সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা নিউউয়র্কে প্রতিষ্ঠা। ১৯৮৭ সালে ওয়াশিংটনে হাউস অফ কংগ্রেসে কংগ্রেসম্যান সোলারজ কর্তৃক বাংলাদেশের সামরিক সরকারের কার্যকলাপের উপর শুনানীতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জাসদের প্রতিষ্টাতা সভাপতি। ১৯৮৯ সালে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড এস্টোরিয়া হোটেলে অনুষ্টিত স্যোসালিস্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে যোগদান করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। কনফারেন্সে সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর মি. উইলি ব্রান্ড এবং অস্টেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করে বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ৮ দলীয়, ৭ দলীয় ও ৫ দলীয় জোটকে সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান। চ্যান্সেলর উইলি ব্রান্ড ছিলেন কনফারেন্সের সভাপতি। ১৯৯২ সালে নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির কনভেনশনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর প্রতিনিধি হয়ে যোগদান করেন। কনভেনশনে শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনু উপস্থিত ছিলেন।
১৯৯১ সালে গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব এ. এস. এম. মোস্তাফিজুর রহমান নিউইয়র্ক অবস্থানকালে তাঁর কাছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি সম্মলিত স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। ১৯৮৫ সালের স্মারকলিপি দাবিগুলোর মধ্যে ছিলো। ১। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমান অফিস স্থাপন। ২। সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপন। ৩। প্রবাসী মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা। ৪। জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্য ১০টি আসন সংরক্ষণ। ৫। প্রবাসীর মৃতদেহ বিনা ভাড়ায় বিমানে বহন। ৬। কাস্টম ও ইমিগ্রেশনের হয়রানি বন্ধ। ৭। প্রবাসীদের অর্থ শিল্পকারখানায় বিনিয়োগের সরকারি পদক্ষেপ। ৮। প্রবাসীদের ভোটাধিকার। ৯। প্রবাসীদের ছাত্র-ছাত্রী ছেলে-মেয়েদের জন্য বাংলাদেশ বিমানে স্টুডেন্ট ডিসকাউন্ট প্রবর্তন। ১৯৯৫ সালের গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
স্মারকলিপির দাবিগুলো ১। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা। ২। প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকার। ৩। প্রবাসী মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা। ৪। ঋণ খেলাপি ও যুদ্ধ অপরাধীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনা। ৫। জাতীয় সংসদে প্রবাসী প্রতিনিধিত্ব ও প্রবাসীদের অর্থ বাংলাদেশে শিল্প কারখানায় বিনিয়োগের সরকারী সুযোগ-সুবিধা প্রদান। ২৯.১১.২০২৩ ইং তারিখে মৌলভীবাজার ৩ সংসদীয় আসন (সদর ও রাজনগর) আসনে মনোনয়ন দাখিল করেন। ৪.১২.২০২৩ ইং মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।