1. moulvibazar24.backup@gmail.com : admin :
  2. mrrahel7@gmail.com : rahel Ahmed : rahel Ahmed
  3. bm.ssc.batb@gmail.com : Shahab Ahmed : Shahab Ahmed
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
মাহির কোলজুড়ে আসেনি কোনো সন্তান শ্রীমঙ্গলে ‘‘ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে ওয়াশ বরাদ্ধ,প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’’ শীর্ষক এক কনসালটেশন কর্মশালা পুলিশের অভিযানে কুলাউড়ায় ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেফতার কোটচাঁদপুরে  কিশোরি ক্লাবের সচেতনতামূলক সভা কোটচাঁদপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের স্টোর রুমে আটকে রাখার অভিযোগ মৌলভীবাজারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা বিষয়ক কর্মশালা শ্রীমঙ্গলে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন সিলেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সুপার বন্যার্থ মানুষের মধ্যে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্যোগ নিলেন মেয়র ফজলুর রহমান শুদ্ধাচার পুরস্কারে ভূষিত হলেন আইজিপি… প্রাপ্ত অর্থ দিবেন বন্যার্তদের

রমজান মাসে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মৌলভীবাজারে কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা সয়লাব

  • প্রকাশের সময় বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৩২ পঠিত

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক:  রমজান মাসে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃত্রিমভাবে পাকানো কলায় সয়লাব হয়ে গেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর, ভানুগাছ বাজার, মুন্সিবাজার, আদমপুরসহ স্থানীয় বিভিন্ন বাজার। পাশাপাশি কলার দামও অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে। সরকারিভাবে কলার দাম নির্ধারণ না থাকায় যে যেভাবে সম্ভব ভোক্তাদের কাছ থেকে দাম আদায় করে নিচ্ছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন রোজদার ভোক্তা সাধারণ।

দেখা যায়, বাজারের বিভিন্ন স্থানে স্থানে ব্যবসায়ীরা কলা সাজিয়ে রেখেছেন। এর মধ্যে চাম্পা কলা ও সাগর কলার সংখ্যাই বেশি। পাকা কলার পাশাপাশি গাছ থেকে কেটে আনা কাঁচা কলার ছড়িও রাখা হয়েছে। তবে সেগুলো গর্তে রেখে কিংবা কেমিক্যালের মাধ্যমে পাকানোর পর চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

শনি ও রোববার রমজানের বাজার থাকায় হাটবাজারগুলোতে কলার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে কোথাও দাম কম দেখা যায়নি। ছোট সাইজের এক ডজন পাকা চাম্পা কলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা হারে বিক্রি করা হচ্ছে। আবার এক হালি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাগর কলার ক্ষেত্রে এক হালি ৪০ টাকা হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে বাজারের এসব কলার অধিকাংশই কৃত্রিমভাবে পাকানো ও নিম্নমানের রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।

ভোক্তা শাহীনুর বেগম, শামসুল ইসলাম ও জমশেদ আলী বলেন, কিছুদিন আগেও যে চাম্পা কলার হালি ছিল ১৫ টাকা। রমজান মাস শুরু হতে না হতেই এখন সেই কলার হালি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও বলেন, কলা ব্যবসায়ীদের কেউ তদারকি না করায় ব্যবসায়ীরা যার যার মতো দাম আদায় করে নিচ্ছে। এতে আমাদের মতো নিম্নআয়ের রোজাদার লোকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

শমসেরনগর বাজার বনিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান রমজানে কলার দাম বৃদ্ধির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুযোগ বুঝে যে যার মতো রোজদার গ্রাহকদের কাছ থেকে কলার দাম আদায় করে নিচ্ছেন। তবে এসব বিষয় দেখভালের দায়িত্ব আমাদের নয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক মো. আল আমীন বলেন, আসলে বাজার ঘুরে দেখা গেছে কলার দাম বেশি। তবে সরকারিভাবে কলার দাম নির্ধারণ করা না থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তারপরও কোথাও অতিরিক্ত কলার দাম নেওয়া হলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই সংক্রান্ত আরোও খবর