ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক মেযর মহসীন মিয়া’র মুক্তি চাইলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কোটচাঁদপুর জয়দিয়া বাওড়ের ইজারাদারের মামলায় আটক – ৩ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডে যাচ্ছেন ড. ইউনূস শ্রীমঙ্গল পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি মৌলভীবাজারে পর্যটকদের ঢল ২৪ বছর পর কথা বলার সুযোগ হয়েছে – কুলাউড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আমির দীর্ঘ প্রায় আঠারো বছর পরে ঈদের জামাত পড়ার সুযোগ পেয়েছি -এম নাসের রহমান অতিরিক্ত পিপি হলেন এডভোকেট নিয়ামুল হক শাহ মোস্তফা পৌর ঈদগাহে হাজার মানুষের ঢল,তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত গ্রেটার সিলেট ডেভেলপয়েন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (জিএসসি) ইন ইউকে এর অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ  বিতরণ

সালমান শাহ মৃত্যুর মৃত্যুর ২৬ বছরেও রহস্য পুরোাপুরি উদঘাটন হয়নি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৪০৬ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৃত্যুর ২৬ বছরেও সালমান শাহ মৃত্যুর রহস্য পুরোাপুরি উদঘাটন হয়নি যেনো। ভক্তদের দাবি, সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।

যদিও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে, জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যাই করেছেন। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই নায়ক কেনো আত্মহত্যা করেছেন তার পাঁচটি কারণও তারা উল্লেখ করেছেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, সালমান শাহের আত্মহত্যার পাঁচটি কারণ হলো-

১. চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তার অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা।

২. স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ

৩. বেশি আবেগপ্রবণ হওয়ার কারণে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা।

৪. মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা, যা জটিল সম্পর্কের বেড়াজাল তৈরি করে অভিমানে রূপ নেয়

৫. সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা

২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি  দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে সালমান শাহ মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত শেষে মৃত্যুর এই পাঁচ কারণ তুলে ধরেন  পিবিআই।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এরপর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে থানা পুলিশের পরিবর্তে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

এরই মধ্যে তার মৃত্যুর ২৩ বছর পেরিয়ে যায়। এর মাঝে কয়েক দফা তদন্তে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তবে তা বরাবরই নাকচ করেছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী।

এ অবস্থায় ২০১৬ সালের শেষ দিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নতুন করে এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। এর সূত্র ধরেই  তদন্ত প্রতিবেদন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পিবিআই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সালমান শাহ মৃত্যুর মৃত্যুর ২৬ বছরেও রহস্য পুরোাপুরি উদঘাটন হয়নি

আপডেট সময় ০৬:২৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৃত্যুর ২৬ বছরেও সালমান শাহ মৃত্যুর রহস্য পুরোাপুরি উদঘাটন হয়নি যেনো। ভক্তদের দাবি, সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।

যদিও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে, জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যাই করেছেন। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই নায়ক কেনো আত্মহত্যা করেছেন তার পাঁচটি কারণও তারা উল্লেখ করেছেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, সালমান শাহের আত্মহত্যার পাঁচটি কারণ হলো-

১. চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তার অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা।

২. স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ

৩. বেশি আবেগপ্রবণ হওয়ার কারণে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা।

৪. মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা, যা জটিল সম্পর্কের বেড়াজাল তৈরি করে অভিমানে রূপ নেয়

৫. সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা

২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি  দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে সালমান শাহ মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত শেষে মৃত্যুর এই পাঁচ কারণ তুলে ধরেন  পিবিআই।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এরপর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে থানা পুলিশের পরিবর্তে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

এরই মধ্যে তার মৃত্যুর ২৩ বছর পেরিয়ে যায়। এর মাঝে কয়েক দফা তদন্তে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তবে তা বরাবরই নাকচ করেছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী।

এ অবস্থায় ২০১৬ সালের শেষ দিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নতুন করে এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। এর সূত্র ধরেই  তদন্ত প্রতিবেদন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পিবিআই।