ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৫০ বছর ধরে রোজা রাখছেন,এবার যাচ্ছেন হজে

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
  • / ২৩২ বার পড়া হয়েছে

একটানা ৫০ বছর ধরে রোজা রাখেন দিনমজুর এনচান আলী (৮২)। এবার তিনি যাচ্ছেন পবিত্র হজ পালনে। আর তার এই হজ পালনে আর্থিক সহযোগিতা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাহালুল হক চৌধুরী। দরিদ্র দিনমজুর এনচান আলী হজে যাওয়ার খবরে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাজুড়ে খুশর জোয়ার বইছে। পাশাপাশি অসহায় দিনমজুর এনচান আলীকে হজ্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা

 

এনচান আলীর বাড়ী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারোডোব এলাকার নছর উদ্দিন মুন্সির ছেলে। বাবা নছর উদ্দিন মুন্সি অভাব-অনটনের সংসারে ছেলেকে লেখাপড়া শেখাতে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না। ছেলে প্রাইমারির গন্ডি পেরোতে না পেরোতেই বন্ধ করে দেন পড়ালেখা। তবে নছর মুন্সি ছিলেন ধর্মানুরাগী। তার স্বপ্ন ছিল ছেলে বড় হয়ে মাওলানা হবে। তাই ছেলে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের জন্য তাবলীগ জামাতে পাঁচ বছরের চিল্লায় পাঠিয়ে দেন। তাবলীগ জামাতের সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচ বছর কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন এনচান আলী। এরপর তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি আজীবন রোজা রাখার নিয়ত করে। নিয়ত অনুযায়ী রোজা রাখা শুরু করেন। এরপর কেটে গেছে প্রায় পঞ্চাশ বছর

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

৫০ বছর ধরে রোজা রাখছেন,এবার যাচ্ছেন হজে

আপডেট সময় ১০:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

একটানা ৫০ বছর ধরে রোজা রাখেন দিনমজুর এনচান আলী (৮২)। এবার তিনি যাচ্ছেন পবিত্র হজ পালনে। আর তার এই হজ পালনে আর্থিক সহযোগিতা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাহালুল হক চৌধুরী। দরিদ্র দিনমজুর এনচান আলী হজে যাওয়ার খবরে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাজুড়ে খুশর জোয়ার বইছে। পাশাপাশি অসহায় দিনমজুর এনচান আলীকে হজ্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা

 

এনচান আলীর বাড়ী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারোডোব এলাকার নছর উদ্দিন মুন্সির ছেলে। বাবা নছর উদ্দিন মুন্সি অভাব-অনটনের সংসারে ছেলেকে লেখাপড়া শেখাতে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না। ছেলে প্রাইমারির গন্ডি পেরোতে না পেরোতেই বন্ধ করে দেন পড়ালেখা। তবে নছর মুন্সি ছিলেন ধর্মানুরাগী। তার স্বপ্ন ছিল ছেলে বড় হয়ে মাওলানা হবে। তাই ছেলে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের জন্য তাবলীগ জামাতে পাঁচ বছরের চিল্লায় পাঠিয়ে দেন। তাবলীগ জামাতের সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচ বছর কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন এনচান আলী। এরপর তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি আজীবন রোজা রাখার নিয়ত করে। নিয়ত অনুযায়ী রোজা রাখা শুরু করেন। এরপর কেটে গেছে প্রায় পঞ্চাশ বছর