ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সকল সুবিধা এক জায়গায় নিয়ে আসতে চায় বিএনপি – এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার–৩ আসনে দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীর গণসংযোগ বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বাষিক নৈশভোজ ও আলোচনা সভা যারা বেহেশত ও দোজখের টিকিট দিচ্ছে তারা শিরক করছে : মৌলভীবাজারে তারেক রহমান তারেক রহমানের সফরসঙ্গী গাড়িবহরের টোল ফি অগ্রিম দিল জেলা বিএনপি শাবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল

কোটচাঁদপুরে কাঠ বয়লার মেশিন বিস্ফোরণে তদন্ত শুরু করেছেন চার সদস্যের তদন্ত কমিটি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২৩০ বার পড়া হয়েছে

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ ) প্রতিনিধিঃ
কোটচাঁদপুরে কাঠ বয়লার মেশিন বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিককে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কমিটির সদস্যরা।
জানা যায়,গেল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার সময় বিস্ফোরন ঘটে কাঠ বয়লার করা মেশিনটি। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান দুই কাঠ শ্রমিক। আহত হন আরো এক শ্রমিক। ক্ষতিগ্রস্থ্য হন পাশের জাহাঙ্গীর হোসেন মাস্টারের বাড়ির প্রাচীর,ল্যাট্রিন ও হাকিমের ইজিবাইক।

ওই ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিক কে। কমিটির অন্য তিন সদস্যের মধ্যে রয়েছে,জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস,উপমহাপরিদর্শক কলকারখানা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও উপসহকারী পরিচালক ফায়ার সার্ভিস ঝিনাইদহের আব্দুস সালাম। মঙ্গলবার ওই কমিটির সদস্য তদন্তে আসেন কোটচাঁদপুরে।

 

তদন্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, কমিটির প্রধান ও ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন,
,ঘটনাটি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক ভাবে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দেখা গেছে মেশিন মালিকের কোন লাইসেন্স নাই। তিনি শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছিলেন। যে ট্রেড লাইসেন্স আমরা পেয়েছি সেটারও মেযাদ নাই। এ ছাড়া ওই মেশিন বসানোর কোন অনুমতিই নাই  মিজানুর রহমানের। তিনি পুরাতন মেশিন বসিয়ে মঙ্গলবারই কাজ শুরু করেছিলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের মেশিন চালাতে হলে টেকনোলজিষ্ট প্রয়োজন হয়। তা তিনি রাখেননি।তিনি নিজেই মালিক, অপারেটর,ও টেকনোলজিষ্ট। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি পালিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি।
মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমত ওনার নামে কলকারখানা আইনে মামলা হবে। এরপর ওনান পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড় পত্র নেননি। পরিবেশ অধিদপ্তরও একটা মামলা করতে পারেন। এ ছাড়া আর কেউ কোন মামলা করবেন কিনা সেটা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। তদন্ত শুরু হয়েছে, তদন্ত শেষে আরো বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।

মিজানুর রহমান (মিজান) ওই মেশিনের মালিক। তিনি কোটচাঁদপুর পারলাট গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্ম গোপনে রয়েছে।  ১০ বছর হল তিনি আর্দশপাড়ার মিন্টু মিয়ার জায়গা ভাড়া নিয়ে কাঠের গোলা করেন। গেল সপ্তাহে নিয়ে আসেন কাঠ বয়লার মেশিনটি। সব প্রস্তুতি শেষ করে মঙ্গলবার কাজ শুরু করেন মিজানুর রহমান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোটচাঁদপুরে কাঠ বয়লার মেশিন বিস্ফোরণে তদন্ত শুরু করেছেন চার সদস্যের তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ ) প্রতিনিধিঃ
কোটচাঁদপুরে কাঠ বয়লার মেশিন বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিককে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কমিটির সদস্যরা।
জানা যায়,গেল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার সময় বিস্ফোরন ঘটে কাঠ বয়লার করা মেশিনটি। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান দুই কাঠ শ্রমিক। আহত হন আরো এক শ্রমিক। ক্ষতিগ্রস্থ্য হন পাশের জাহাঙ্গীর হোসেন মাস্টারের বাড়ির প্রাচীর,ল্যাট্রিন ও হাকিমের ইজিবাইক।

ওই ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিক কে। কমিটির অন্য তিন সদস্যের মধ্যে রয়েছে,জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস,উপমহাপরিদর্শক কলকারখানা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও উপসহকারী পরিচালক ফায়ার সার্ভিস ঝিনাইদহের আব্দুস সালাম। মঙ্গলবার ওই কমিটির সদস্য তদন্তে আসেন কোটচাঁদপুরে।

 

তদন্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, কমিটির প্রধান ও ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন,
,ঘটনাটি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক ভাবে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দেখা গেছে মেশিন মালিকের কোন লাইসেন্স নাই। তিনি শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছিলেন। যে ট্রেড লাইসেন্স আমরা পেয়েছি সেটারও মেযাদ নাই। এ ছাড়া ওই মেশিন বসানোর কোন অনুমতিই নাই  মিজানুর রহমানের। তিনি পুরাতন মেশিন বসিয়ে মঙ্গলবারই কাজ শুরু করেছিলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের মেশিন চালাতে হলে টেকনোলজিষ্ট প্রয়োজন হয়। তা তিনি রাখেননি।তিনি নিজেই মালিক, অপারেটর,ও টেকনোলজিষ্ট। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি পালিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি।
মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমত ওনার নামে কলকারখানা আইনে মামলা হবে। এরপর ওনান পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড় পত্র নেননি। পরিবেশ অধিদপ্তরও একটা মামলা করতে পারেন। এ ছাড়া আর কেউ কোন মামলা করবেন কিনা সেটা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। তদন্ত শুরু হয়েছে, তদন্ত শেষে আরো বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।

মিজানুর রহমান (মিজান) ওই মেশিনের মালিক। তিনি কোটচাঁদপুর পারলাট গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্ম গোপনে রয়েছে।  ১০ বছর হল তিনি আর্দশপাড়ার মিন্টু মিয়ার জায়গা ভাড়া নিয়ে কাঠের গোলা করেন। গেল সপ্তাহে নিয়ে আসেন কাঠ বয়লার মেশিনটি। সব প্রস্তুতি শেষ করে মঙ্গলবার কাজ শুরু করেন মিজানুর রহমান।