ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫, ১২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
স্বাধীনতা দিবসে রবিরশ্মি মৌলভীবাজার’র শ্রদ্ধাঞ্জলি স্বাধীনতা দিবসে মৌলভীবাজার’র প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি চাঁ-দা বা জ,স ন্ত্রা সী,ভূমি দখলকারীদের বিএনপিতে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হবে না – সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জাসাসের উদ্যোগে মৌলভীবাজারে ইফতার ও দোয়া মাহফিল মৌলভীবাজার গণকবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া জুড়ীতে বিজিবির হাতে ভারতীয় মহিষ আটক পৌর ঈদগাহে জামাত হবে ৩টি কোটচাঁদপুরে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে ইফতার মাহফিল  সাবেক ছাত্রনেতা মরহুম গাজী মারুফ এর স্মরণ সভা,ইফতার ও দোয়া মাহফিল দৈনিক বাংলার দিন পত্রিকা উদ্যাগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ছোট্ট রাব্বির দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩
  • / ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সাধারণ রোগীর মতো ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখের চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীসহ সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও ছবি তোলেন। এসময় ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট রাব্বির দিকে চোখ পড়ে প্রধানমন্ত্রীর। তিনি এগিয়ে যান, পরম মমতায় আদর করেন শিশুটিকে। মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী ছোট্ট রাব্বির কাছে জানতে চান- কী করে সে, কার সঙ্গে হাসপাতালে এসেছে, কোন ক্লাসে পড়ে।

১১ বছরের রাব্বি জানায়, সে চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালের ক্যান্টিনে কাজ করে। সেখানেই থাকে। তার বাবা মারা গেছেন। মা রাবেয়া বেগম সুতার কারখানায় কাজ করত। এখন চাঁদপুরে রাম দাসদি আশ্রয়ণ-এর ৮/৩ নং ঘরে থাকে। রাব্বির সৎ বাবা জাহাঙ্গীর আলম দিন মজুর। ক্যান্টিনে কাজ নেয়ার আগে ক্লাস টু পর্যন্ত পড়েছে রাব্বি। ছোট্ট শিশুটি প্রধানমন্ত্রীকে বলে, আমি চাঁদপুরে মায়ের কাছে যেতে চাই। আবার পড়াশোনা করতে চাই।

মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী আবেগাপ্লুত হন রাব্বির কথা শুনে। তিনি ছোট্ট রাব্বির দায়িত্ব নেন। সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছোট্ট রাব্বির দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ০৯:০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সাধারণ রোগীর মতো ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখের চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীসহ সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও ছবি তোলেন। এসময় ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট রাব্বির দিকে চোখ পড়ে প্রধানমন্ত্রীর। তিনি এগিয়ে যান, পরম মমতায় আদর করেন শিশুটিকে। মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী ছোট্ট রাব্বির কাছে জানতে চান- কী করে সে, কার সঙ্গে হাসপাতালে এসেছে, কোন ক্লাসে পড়ে।

১১ বছরের রাব্বি জানায়, সে চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালের ক্যান্টিনে কাজ করে। সেখানেই থাকে। তার বাবা মারা গেছেন। মা রাবেয়া বেগম সুতার কারখানায় কাজ করত। এখন চাঁদপুরে রাম দাসদি আশ্রয়ণ-এর ৮/৩ নং ঘরে থাকে। রাব্বির সৎ বাবা জাহাঙ্গীর আলম দিন মজুর। ক্যান্টিনে কাজ নেয়ার আগে ক্লাস টু পর্যন্ত পড়েছে রাব্বি। ছোট্ট শিশুটি প্রধানমন্ত্রীকে বলে, আমি চাঁদপুরে মায়ের কাছে যেতে চাই। আবার পড়াশোনা করতে চাই।

মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী আবেগাপ্লুত হন রাব্বির কথা শুনে। তিনি ছোট্ট রাব্বির দায়িত্ব নেন। সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।