ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট সংস্কার, শমসেরনগর বিমানবন্দর ও ঢাকা–শ্রীমঙ্গল স্পেশাল ট্রেন চালুর প্রতিশ্রুতি….প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনকালে.. নাসের রহমান কৃষক কার্ড–ফ্যামেলি কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বিএনপি: এম নাসের রহমান এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে গনভোট হ্যাঁ জয় যুক্ত করতে হবে… সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সকল সুবিধা এক জায়গায় নিয়ে আসতে চায় বিএনপি – এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার–৩ আসনে দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীর গণসংযোগ বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান

ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে কুলাউড়ায় চলাচল করছে যানবাহন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৪১৫ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি ডেবে যাওয়া সেতু ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়ে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার লক্ষীপুর-হাসিমপুর সড়কে ফানাই নদীর উপর ৬০ ফুট দীর্ঘ এ সেতু নির্মান করা হয়। প্রায় এক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পের আওতায় নদী পুনঃখনন করা হয়েছিল। সেই সময় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সেতুটি দেবে যায়। এ অবস্থায় সেতুসহ ওই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন ও লোকজন চলাচল করছেন।

এলাকাবাসী জানান, ওই সেতু দিয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পুরশাই, ভাতগাঁও, দেওগাঁও, কর্মধার হাসিমপুর এবং রাউৎগাঁওয়ের নর্তন, কবিরাজী ও পালগ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। এ ছাড়া এলাকার শিক্ষার্থীরা সেতুর পূর্ব পাশে অবস্থিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করেন।স্থানীয়রা জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে পাউবো প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটির ৪০ কিলোমিটার খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে পুনঃখনন করে। কাজ সম্পন্নের আগেই অতিবৃষ্টিতে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামে। তখন সেতুর মধ্যবর্তী স্থান দেবে যায়। একই সময় সেতুর পূর্ব পাশের বাঁধে রাঙ্গিছড়া-লক্ষীপুর-গুতগুতি সড়কের একশত ফুট জায়গা ধসে পড়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ফানাই নদী পুনঃখননের সময় সেতু ও রাস্তার সর্বনাশ হয়েছে। সেতুর মাঝখানের খুঁটির কাছ থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কাটা হয়। এরপর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদী ভরে গিয়ে খুঁটি কাত হয়ে সেতু দেবে যায়। এলাকাবাসীর দ্রæত সেতুটির সংস্কারের দাবি জানান।

এলজিইডির মৌলভীবাজার জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আজীম উদ্দীন সরদার জানান, ওই স্থানে নতুন একটি সেতু নির্মাণের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে কুলাউড়ায় চলাচল করছে যানবাহন

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি ডেবে যাওয়া সেতু ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়ে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার লক্ষীপুর-হাসিমপুর সড়কে ফানাই নদীর উপর ৬০ ফুট দীর্ঘ এ সেতু নির্মান করা হয়। প্রায় এক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পের আওতায় নদী পুনঃখনন করা হয়েছিল। সেই সময় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সেতুটি দেবে যায়। এ অবস্থায় সেতুসহ ওই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন ও লোকজন চলাচল করছেন।

এলাকাবাসী জানান, ওই সেতু দিয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পুরশাই, ভাতগাঁও, দেওগাঁও, কর্মধার হাসিমপুর এবং রাউৎগাঁওয়ের নর্তন, কবিরাজী ও পালগ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। এ ছাড়া এলাকার শিক্ষার্থীরা সেতুর পূর্ব পাশে অবস্থিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করেন।স্থানীয়রা জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে পাউবো প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটির ৪০ কিলোমিটার খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে পুনঃখনন করে। কাজ সম্পন্নের আগেই অতিবৃষ্টিতে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামে। তখন সেতুর মধ্যবর্তী স্থান দেবে যায়। একই সময় সেতুর পূর্ব পাশের বাঁধে রাঙ্গিছড়া-লক্ষীপুর-গুতগুতি সড়কের একশত ফুট জায়গা ধসে পড়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ফানাই নদী পুনঃখননের সময় সেতু ও রাস্তার সর্বনাশ হয়েছে। সেতুর মাঝখানের খুঁটির কাছ থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কাটা হয়। এরপর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদী ভরে গিয়ে খুঁটি কাত হয়ে সেতু দেবে যায়। এলাকাবাসীর দ্রæত সেতুটির সংস্কারের দাবি জানান।

এলজিইডির মৌলভীবাজার জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আজীম উদ্দীন সরদার জানান, ওই স্থানে নতুন একটি সেতু নির্মাণের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।