ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
পৌর বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে মাদ্রাসা শিক্ষককে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা বড়লেখায় দোকান ভাংচুর ও তরুনীকে মারধরের ঘটনায় আটক -৩ বন্ধুদের প্ল্যাটফর্ম আত্মার আত্মীয় সংগঠন নগদ টাকা ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ লাউয়াছড়া বনে আ গু ন নিজ ঘরে ঝুলছিল পুলিশ সদস্যের মরদেহ তথ্য উপদেষ্টা হলেন মাহফুজ আলম সোশ্যাল মিডিয়ায় গীবত, মিথ্যা ও গুজব এড়ানো: ইসলামি দৃষ্টিকোণ ও বাস্তবতা – বশির আহমদ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনস্থ আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র অস্থায়ী ভিত্তিতে খন্ডকালীন ডাক্তার নিয়োগ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমেই সামাজিক সমস্যা সমূহ দূর করা সম্ভব – পুলিশ সুপার

পৌর বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মৌলভীবাজার পৌর শাখা’র ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মৌলভীবাজার পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) যুগ্ম আহবায়ক, পৌর বিএনপি’র সদ্য সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য ও সদ্য সাবেক অর্থ সম্পাদক মনোয়ার আহমেদ রহমান এর সভাপতিত্বে এবং মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি ও পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য, পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, সাবেক কাউন্সিল আনিসুজ্জামান বায়েছ এর সঞ্চালনায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র অন্যতম সদস্য জনাব মোশাররফ হোসেন বাদশা।

বিশেষ অতিথি: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সেচ্ছা বিষয়ক সম্পাদক, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জনাব স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব সেলিম মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের অশেষ মেহেরবানীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আজ দেড়যুগ পর মুক্ত আকাশে সভা-সমাবেশ করতে পারছে, এই দেশের মানুষ দীর্ঘ একটি কঠিনতম সময় অত্যাচার, নির্যাতন, খুম, গুম, দ্রব্যমূল্যের অ-স্বাভাবিকতা, সাধারন জনগনের অভাব-অনটন, বেবিচার, বিশেষ করে এই রাষ্ট্রের জনগণের ভোটাধিকার হরণের মাধ্যমে এই দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ নিশি রাতের নির্লজ্জ নির্বাচন দেখিয়ে অবৈধভাবে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করে।
১৭ বছর বিএনপি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, আন্দোলন দমন করতে বেগম খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়, জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পরবর্তীতে ১ দফা নির্বাচন বয়কট শুরু হয়ে গেলো কোটা আন্দলোন বিরোধীদলের মতে নির্যাতন নিপীড়ন গণহত্যার শুরু করলো হাসিনা ও তার সন্ত্রাসী সংগঠন এবং পেটোয়া সরকারি বাহিনী। ছাত্রদের সাথে নেমে গেলো অভিভাবক, সাধারন জনগন, বিএনপি সহ স্বৈরাচার বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল ছাত-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পতন হলো বাংলাদেশ ইতিহাসের ঘৃনতম স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার, দেশে ছেড়ে পালাতে হলো খুনি হাসিনা কে।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের জটিলতা সমাধানে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং গঠন হলো ৩২ সদস্য জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি আহ্বায়ক করা হলো বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জনাব ফয়জুল করিম ময়ূন, ৭টি উপজেলা ও ৫টি পৌরসভার কর্মীসভা সকলে একসাথে কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতে সম্পন্ন হয়, হঠাৎ করে ৩১ আগষ্ট এক জন ব্যক্তিকে সদস্য সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিলে কেন্দ্রীয় বিএনপি, ঐ দিন থেকে জেলা বিএনপিতে নেমে আসলো কালো মেঘ নষ্ট হয়ে গেল চলমান সকল কার্যক্রম ৩২ জন সদস্যের মধ্যে ২২ জন জেলা বিএনপি নেতা অনাস্থা প্রস্তাব সহ সকল গঠনার বিবরণ সহ চিঠিদেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। আমার কথা হলো ছোটখাটো সমস্যা ছাড়া সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছিলো কিন্তু হঠাৎ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক ও কমিটির সদস্যদের সাথে কোন ধরনের আলোচনা ছাড়া কেন এই ঘটনা ঘটানো হলো? কারা চেয়ারম্যান সাহেব কে সত্য গোপন করে মৌলভীবাজার নতুন উজ্জীবিত বিএনপিকে নষ্ট করা হলো, আপনি কার সার্থে কেন করলেন? ইনশাআল্লাহ একদিন এই জবাব নেতার কাছে দিতে হবে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহোদয় আপনি সন্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তি দল কে ধ্বংসের দারপ্রান্ত থেকে রক্ষা করার নৈতিক দায়িত্ব আপনার, কঠোর হাতে শক্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিন, দল কে রক্ষা করুন।

বিশেষ অতিথি স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী বলেন রাজনীতির প্রতিহিংসায় আমাকে বিভিন্ন ভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করে স্হায়ী আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ
সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা, আমার বাচ্চাও পরিবারের সদস্যদের সামনে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে আমি মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসি আপনাদের দোয়ায়, এদের সকলের বিচার এখনো বাকি আছে।
মৌলভীবাজার পৌরবিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দেখে
রীতিমতো অবাক হলাম, বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যারা সক্রিয়ভাবে পৌর বিএনপি এবং ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছেন ঐ সকল নেতাকর্মীদের কে বাদ দিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে অনুপস্থিত এবং পাঁচ আগস্টের পরবর্তী সক্রিয় হওয়া ব্যক্তিদের কে আহবায়ক কমিটির নেতৃত্বে এবং সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে! ১৭ বছর এত ত্যাগ হত্যা গুন খুন অত্যাচার নির্যাতন ত্যাগের পর দলকে সু-সংগঠিত করার নমুনা যদি এই হয় তাহলেতো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
আলামত খুবই জটিল এবং আতংকের।
আমি অনুরোধ করছি জেলা বিএনপির আহবায়ক সাহেব, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং কেন্দ্র থেকে সাংগঠনিক টিমের সকল নেতৃবৃন্দকে তারেক রহমানের বির্নিমান বাংলাদেশ গড়তে বিগত দিনের ত্যাগী নিবেদিত যোগ্য নেতাকে নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামীর জন্য সুসংগঠিত করুন। বিগত আন্দোলনে নির্বাচনে নিবেদিতোরাই প্রকৃত নেতা এর থেকে আরও বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে।

বিশেষ অতিথি জনাব সেলিম মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন বলেন আলহামদুলিল্লাহ্ আজ আমরা স্বাধীন। আমরা
সকল ষড়যন্ত্র অপেক্ষা করে আগামীর বাংলাদেশ গঠন করতে বদ্ধপরিক। আমরা এই দেশে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার আদায়ে সংগ্রাম করেছি ইনশাআল্লাহ্ দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ট হবে।

সভাপতি মনোয়ার আহমেদ রহমান বলেন মহান স্বাধীনতা, ভাষা আন্দোলন, গেল ২৪’এর গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে শ্রদ্ধা সাথে সরণ করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রে প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ভাষা সৈনিক সাবেক অর্থ মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান, উনার বাবা পৌরসভার সর্বজন শ্রদ্ধেয় সনামধন্য সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যান মরহুম সাজ্জাদুর রহমান পুতুল, এই ওয়ার্ডের প্রবিন চেয়ারম্যান মরহুম এরশাদ মিয়া ও উনার সন্তান বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিল মরহুম আব্দুর নুর সহ সকল বিএনপি নেতাদের।

বিগত ২০১৮ নির্বাচনে পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র এই ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী পুলিশ ভোট সেন্টার দখল করতে পারে নাই আপনাদের প্রতিরোধে। আমি বিশ্বাস করি বিগত আওয়ামীলীগ নির্বাচনে, পৌর নির্বাচনে,ডামি নির্বাচনে যে ব্যক্তি সকল ব্যক্তি সক্রিয় ভূমিকা করে নৌকার অগণতান্ত্রিক মেয়র এমপিদের কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো দোসরদের কে প্রতিহত করবেন। এই সকল দালাল বাটপারদের বিএনপিতে অন্তত পূনর্বাসন হবে না ইনশাআল্লাহ্।

তিনি বলেন আগামীর বিনির্মান বাংলাদেশ গঠন করতে ৩১ দফার বাস্তবায়ন অপরিহার্য, আমরা ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি দিবো এই কমিটি গণতান্ত্রিক উপায়ে সন্মেলন ও কাউন্সিল এর মাধ্যমে ৭১ বিশিষ্ট কমিটি গঠন করবে।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রবীণ মুরব্বি আব্দুল মছব্বির, মইদ মিয়া, সুফিয়ান আহমেদ আলীক মিয়া, শেখ আব্দুল মছব্বির, মহিদুল ইসলাম বাবলু, শেখ আব্দুস সালাম, শাহাবুদ্দিন আহমদ, শেখ কামাল আহমদ, সাজ্জাদুর রহমান সজ্জাদ সহ প্রমুখ।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য বদরুল আলম নোমান, সদস্য সহিদ আহমদ জুনেদ, সদস্য রুনু আহমদ, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি আবুল কালাম, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহমুদুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুর রসিদ, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমদ, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল হাসান সহ প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন: জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আহমদ শাহান, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম সুহেল, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ নাহিদ আহমেদ, সুয়েব আহমদ, শাহ মাহফুজ আহমদ সাহান, নিয়াজ আহমদ, খসরু মিয়া সহ প্রমুখ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পৌর বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১১:৫৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মৌলভীবাজার পৌর শাখা’র ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মৌলভীবাজার পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) যুগ্ম আহবায়ক, পৌর বিএনপি’র সদ্য সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য ও সদ্য সাবেক অর্থ সম্পাদক মনোয়ার আহমেদ রহমান এর সভাপতিত্বে এবং মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি ও পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য, পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, সাবেক কাউন্সিল আনিসুজ্জামান বায়েছ এর সঞ্চালনায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র অন্যতম সদস্য জনাব মোশাররফ হোসেন বাদশা।

বিশেষ অতিথি: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সেচ্ছা বিষয়ক সম্পাদক, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জনাব স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব সেলিম মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের অশেষ মেহেরবানীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আজ দেড়যুগ পর মুক্ত আকাশে সভা-সমাবেশ করতে পারছে, এই দেশের মানুষ দীর্ঘ একটি কঠিনতম সময় অত্যাচার, নির্যাতন, খুম, গুম, দ্রব্যমূল্যের অ-স্বাভাবিকতা, সাধারন জনগনের অভাব-অনটন, বেবিচার, বিশেষ করে এই রাষ্ট্রের জনগণের ভোটাধিকার হরণের মাধ্যমে এই দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ নিশি রাতের নির্লজ্জ নির্বাচন দেখিয়ে অবৈধভাবে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করে।
১৭ বছর বিএনপি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, আন্দোলন দমন করতে বেগম খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়, জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পরবর্তীতে ১ দফা নির্বাচন বয়কট শুরু হয়ে গেলো কোটা আন্দলোন বিরোধীদলের মতে নির্যাতন নিপীড়ন গণহত্যার শুরু করলো হাসিনা ও তার সন্ত্রাসী সংগঠন এবং পেটোয়া সরকারি বাহিনী। ছাত্রদের সাথে নেমে গেলো অভিভাবক, সাধারন জনগন, বিএনপি সহ স্বৈরাচার বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল ছাত-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পতন হলো বাংলাদেশ ইতিহাসের ঘৃনতম স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার, দেশে ছেড়ে পালাতে হলো খুনি হাসিনা কে।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের জটিলতা সমাধানে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং গঠন হলো ৩২ সদস্য জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি আহ্বায়ক করা হলো বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জনাব ফয়জুল করিম ময়ূন, ৭টি উপজেলা ও ৫টি পৌরসভার কর্মীসভা সকলে একসাথে কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতে সম্পন্ন হয়, হঠাৎ করে ৩১ আগষ্ট এক জন ব্যক্তিকে সদস্য সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিলে কেন্দ্রীয় বিএনপি, ঐ দিন থেকে জেলা বিএনপিতে নেমে আসলো কালো মেঘ নষ্ট হয়ে গেল চলমান সকল কার্যক্রম ৩২ জন সদস্যের মধ্যে ২২ জন জেলা বিএনপি নেতা অনাস্থা প্রস্তাব সহ সকল গঠনার বিবরণ সহ চিঠিদেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। আমার কথা হলো ছোটখাটো সমস্যা ছাড়া সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছিলো কিন্তু হঠাৎ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক ও কমিটির সদস্যদের সাথে কোন ধরনের আলোচনা ছাড়া কেন এই ঘটনা ঘটানো হলো? কারা চেয়ারম্যান সাহেব কে সত্য গোপন করে মৌলভীবাজার নতুন উজ্জীবিত বিএনপিকে নষ্ট করা হলো, আপনি কার সার্থে কেন করলেন? ইনশাআল্লাহ একদিন এই জবাব নেতার কাছে দিতে হবে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহোদয় আপনি সন্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তি দল কে ধ্বংসের দারপ্রান্ত থেকে রক্ষা করার নৈতিক দায়িত্ব আপনার, কঠোর হাতে শক্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিন, দল কে রক্ষা করুন।

বিশেষ অতিথি স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী বলেন রাজনীতির প্রতিহিংসায় আমাকে বিভিন্ন ভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করে স্হায়ী আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ
সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা, আমার বাচ্চাও পরিবারের সদস্যদের সামনে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে আমি মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসি আপনাদের দোয়ায়, এদের সকলের বিচার এখনো বাকি আছে।
মৌলভীবাজার পৌরবিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দেখে
রীতিমতো অবাক হলাম, বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যারা সক্রিয়ভাবে পৌর বিএনপি এবং ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছেন ঐ সকল নেতাকর্মীদের কে বাদ দিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে অনুপস্থিত এবং পাঁচ আগস্টের পরবর্তী সক্রিয় হওয়া ব্যক্তিদের কে আহবায়ক কমিটির নেতৃত্বে এবং সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে! ১৭ বছর এত ত্যাগ হত্যা গুন খুন অত্যাচার নির্যাতন ত্যাগের পর দলকে সু-সংগঠিত করার নমুনা যদি এই হয় তাহলেতো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
আলামত খুবই জটিল এবং আতংকের।
আমি অনুরোধ করছি জেলা বিএনপির আহবায়ক সাহেব, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং কেন্দ্র থেকে সাংগঠনিক টিমের সকল নেতৃবৃন্দকে তারেক রহমানের বির্নিমান বাংলাদেশ গড়তে বিগত দিনের ত্যাগী নিবেদিত যোগ্য নেতাকে নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামীর জন্য সুসংগঠিত করুন। বিগত আন্দোলনে নির্বাচনে নিবেদিতোরাই প্রকৃত নেতা এর থেকে আরও বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে।

বিশেষ অতিথি জনাব সেলিম মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন বলেন আলহামদুলিল্লাহ্ আজ আমরা স্বাধীন। আমরা
সকল ষড়যন্ত্র অপেক্ষা করে আগামীর বাংলাদেশ গঠন করতে বদ্ধপরিক। আমরা এই দেশে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার আদায়ে সংগ্রাম করেছি ইনশাআল্লাহ্ দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ট হবে।

সভাপতি মনোয়ার আহমেদ রহমান বলেন মহান স্বাধীনতা, ভাষা আন্দোলন, গেল ২৪’এর গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে শ্রদ্ধা সাথে সরণ করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রে প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ভাষা সৈনিক সাবেক অর্থ মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান, উনার বাবা পৌরসভার সর্বজন শ্রদ্ধেয় সনামধন্য সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যান মরহুম সাজ্জাদুর রহমান পুতুল, এই ওয়ার্ডের প্রবিন চেয়ারম্যান মরহুম এরশাদ মিয়া ও উনার সন্তান বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিল মরহুম আব্দুর নুর সহ সকল বিএনপি নেতাদের।

বিগত ২০১৮ নির্বাচনে পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র এই ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী পুলিশ ভোট সেন্টার দখল করতে পারে নাই আপনাদের প্রতিরোধে। আমি বিশ্বাস করি বিগত আওয়ামীলীগ নির্বাচনে, পৌর নির্বাচনে,ডামি নির্বাচনে যে ব্যক্তি সকল ব্যক্তি সক্রিয় ভূমিকা করে নৌকার অগণতান্ত্রিক মেয়র এমপিদের কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো দোসরদের কে প্রতিহত করবেন। এই সকল দালাল বাটপারদের বিএনপিতে অন্তত পূনর্বাসন হবে না ইনশাআল্লাহ্।

তিনি বলেন আগামীর বিনির্মান বাংলাদেশ গঠন করতে ৩১ দফার বাস্তবায়ন অপরিহার্য, আমরা ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি দিবো এই কমিটি গণতান্ত্রিক উপায়ে সন্মেলন ও কাউন্সিল এর মাধ্যমে ৭১ বিশিষ্ট কমিটি গঠন করবে।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রবীণ মুরব্বি আব্দুল মছব্বির, মইদ মিয়া, সুফিয়ান আহমেদ আলীক মিয়া, শেখ আব্দুল মছব্বির, মহিদুল ইসলাম বাবলু, শেখ আব্দুস সালাম, শাহাবুদ্দিন আহমদ, শেখ কামাল আহমদ, সাজ্জাদুর রহমান সজ্জাদ সহ প্রমুখ।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপি আহবায়ক কমিটি’র সদস্য বদরুল আলম নোমান, সদস্য সহিদ আহমদ জুনেদ, সদস্য রুনু আহমদ, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি আবুল কালাম, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহমুদুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুর রসিদ, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমদ, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল হাসান সহ প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন: জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আহমদ শাহান, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম সুহেল, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ নাহিদ আহমেদ, সুয়েব আহমদ, শাহ মাহফুজ আহমদ সাহান, নিয়াজ আহমদ, খসরু মিয়া সহ প্রমুখ।