ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান মৌলভীবাজার কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরন মৌলভীবাজারে চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে পাথর নিক্ষেপ যাত্রীরা হতাশ মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সভাপতি মিজানুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জয়নুল হক পবিত্র রমজান উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গ্রামীণফোন ও মাস্টারকার্ডের পার্টনারশিপ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ধন্দীতায় নিয়ামুল হক বিজয়ী অনিয়ম-বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা… এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার ৪টি আসনে ১৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আরেক সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় আবারো কাজ শুরু করেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

এরপর নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন

আপডেট সময় ১০:০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আরেক সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় আবারো কাজ শুরু করেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

এরপর নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।