ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বাষিক নৈশভোজ ও আলোচনা সভা যারা বেহেশত ও দোজখের টিকিট দিচ্ছে তারা শিরক করছে : মৌলভীবাজারে তারেক রহমান তারেক রহমানের সফরসঙ্গী গাড়িবহরের টোল ফি অগ্রিম দিল জেলা বিএনপি শাবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে মৌলভীবাজারে বিএনপির আনন্দ মিছিল ৪টি আসনে প্রতীক পেলেন ২৪ প্রার্থী মৌলভীবাজারে যাত্রা শুরু,অনলাইন বেইলবন্ডে দ্রুত মুক্তি পাবে আসামীরা

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / ১৯১ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আরেক সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় আবারো কাজ শুরু করেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

এরপর নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন

আপডেট সময় ১০:০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আরেক সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় আবারো কাজ শুরু করেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

এরপর নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।