ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ১০ম গ্রেড না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি টেকনোলজিস্টদের শ্রীমঙ্গলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বিদায় নিলেন পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ. জাহাঙ্গীর,দায়িত্ব নিলেন বিল্লাল হোসেন সরকারি চাকুরি করে কোটিপতি অনুপ মৌলভীবাজার সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নি/হ/ত আহত-১ কোটচাঁদপুর পৌর বিএনপির উদ্দেগে সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় মৌলভীবাজারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল মৌলভীবাজারে আন্দোলনরত ৮ দলের প্রথম সভা বিভাগীয় অপ্রাতিষ্ঠানিক ও প্রান্তিক নারী শ্রমিকদের সম্মেলন

শিশুকে জিম্মি করে ডাকাতি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে

জুড়ি প্রতিনিধি: বাচ্চাকে জিম্মি করে অভিনব কায়দায় জুড়ীতে ডাকাতির খবর পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য  সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার জায়ফর নগর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের  টিপু সুলতানের স্ত্রী ফারজানা আক্তার দুই  বাচ্চাকে নিয়ে একা বাড়িতে ছিলেন।প্রতিদিনের ন্যায়  টিপু সুলতান ও তার বড় ভাই আতিকুর রহমান বারে চলে যান।

শনিবার রাত আনুমানিক ৯  টার দিকে দুইজন  লোক তার স্বামী খরচ পাঠিয়েছে বলে টিপু সুলতানের স্ত্রীকে গেট খুলতে বলে। এ সময় তিনি ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে গেট খুললে একজন তার গলা চেপে ধরে, অপরজন বাচ্চার গলা চেপে ধরে চিৎকার দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে তাদেরকে একরুমে বন্দি করে ঘরের দুই রুমে থাকা নগদ দুই লক্ষ পচিঁশ হাজার  টাকা, সোনা ও দেড় লক্ষ টাকার চেক বই সহ দামী জিনিষপত্র নিয়ে যায়।

ফরাজনা আক্তারের স্বামী টিপু সুলতান জানান, আমরা দুই ভাই পরিবার নিয়ে বসবাস করি। বড় ভাইয়ের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। আমার স্ত্রী দুই বাচ্চাকে নিয়ে রুমে ছিলেন। আমার ভাই খরচ পাঠিয়েছেন বলে কে এসে আমার স্ত্রীকে ডেকে গেইটের তালা খুলতে বলে। এসময় সে তালা খুলতেই তাকে চেপে ধরে আমার দশ মাসের বাচ্চাকে জিম্মি করে এক রুমে বন্দি করে সবকিছু নিয়ে যায়।

এলাকার বাসিন্দা আব্দুল লতিফ, রাসেল আহমদ, রনি জানান, শনিবার রাতে ১০ টার দিকে তারা  খবর পেয়ে গিয়ে দেখেন, ঘরের সব কিছু ডাকাতরা তছনছ করে নিয়ে গেছে। বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী নির্বাক হয়ে গেছেন।তাদের সঞ্চিত সব কিছু হারিয়ে কোন উত্তর দিতে পারছেন না।

বাড়ির মালিক আতিকুর রহমান দীর্ঘদিন কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ও তার ছোট ভাই টিপু সুলতান ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার সময় শুধু টিপু সুলতানের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজাদ মিয়া জানান, এ ঘটনা কোনভাবেই কাম্য নয়। এলাকার মধ্যে এ রকম ডাকাতি হয়ে গেছে যা অবিশ্বাসযোগ্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশুকে জিম্মি করে ডাকাতি

আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

জুড়ি প্রতিনিধি: বাচ্চাকে জিম্মি করে অভিনব কায়দায় জুড়ীতে ডাকাতির খবর পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য  সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার জায়ফর নগর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের  টিপু সুলতানের স্ত্রী ফারজানা আক্তার দুই  বাচ্চাকে নিয়ে একা বাড়িতে ছিলেন।প্রতিদিনের ন্যায়  টিপু সুলতান ও তার বড় ভাই আতিকুর রহমান বারে চলে যান।

শনিবার রাত আনুমানিক ৯  টার দিকে দুইজন  লোক তার স্বামী খরচ পাঠিয়েছে বলে টিপু সুলতানের স্ত্রীকে গেট খুলতে বলে। এ সময় তিনি ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে গেট খুললে একজন তার গলা চেপে ধরে, অপরজন বাচ্চার গলা চেপে ধরে চিৎকার দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে তাদেরকে একরুমে বন্দি করে ঘরের দুই রুমে থাকা নগদ দুই লক্ষ পচিঁশ হাজার  টাকা, সোনা ও দেড় লক্ষ টাকার চেক বই সহ দামী জিনিষপত্র নিয়ে যায়।

ফরাজনা আক্তারের স্বামী টিপু সুলতান জানান, আমরা দুই ভাই পরিবার নিয়ে বসবাস করি। বড় ভাইয়ের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। আমার স্ত্রী দুই বাচ্চাকে নিয়ে রুমে ছিলেন। আমার ভাই খরচ পাঠিয়েছেন বলে কে এসে আমার স্ত্রীকে ডেকে গেইটের তালা খুলতে বলে। এসময় সে তালা খুলতেই তাকে চেপে ধরে আমার দশ মাসের বাচ্চাকে জিম্মি করে এক রুমে বন্দি করে সবকিছু নিয়ে যায়।

এলাকার বাসিন্দা আব্দুল লতিফ, রাসেল আহমদ, রনি জানান, শনিবার রাতে ১০ টার দিকে তারা  খবর পেয়ে গিয়ে দেখেন, ঘরের সব কিছু ডাকাতরা তছনছ করে নিয়ে গেছে। বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী নির্বাক হয়ে গেছেন।তাদের সঞ্চিত সব কিছু হারিয়ে কোন উত্তর দিতে পারছেন না।

বাড়ির মালিক আতিকুর রহমান দীর্ঘদিন কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ও তার ছোট ভাই টিপু সুলতান ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার সময় শুধু টিপু সুলতানের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজাদ মিয়া জানান, এ ঘটনা কোনভাবেই কাম্য নয়। এলাকার মধ্যে এ রকম ডাকাতি হয়ে গেছে যা অবিশ্বাসযোগ্য।