ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে মৌলভীবাজার–৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এম নাসের রহমানের ভোট প্রদান শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মৌলভীবাজার-৩ আসন সুষ্ঠু ভোট উপহার দিয়ে ঘরে ফিরবে সেনাবাহিনী সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন, ইনশাআল্লাহ,আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে”– এম নাসের রহমান নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান মৌলভীবাজারে ধানের শীষের ঐতিহাসিক শেষ মিছিল, ভোটকেন্দ্র পাহারার আহ্বান মনু নদী রক্ষা ও চার লেন সড়কের প্রতিশ্রুতি আহমদ বিলালের

সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মৌলভীবাজারের নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৬২২ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারে প্রতি সপ্তাহেই হু হু করে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। চড়া মূল্যের কারণে বাজারে গিয়ে হিমশিম খাতে হচ্ছে ক্রেতাদের। গত সপ্তাহে সবজির দাম কাছুটা কম থাকলেও এ সপ্তাহে আবারও বেড়েছে। সবচেয়ে কম দামে যে সবজি বিক্রি হচ্ছে সেটিও ৪০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, সংসার কি করে চলবে, সে ভাবনাতেই গলা শুকিয়ে যাচ্ছে তাদের।

 

আর বিক্রেতা বলছেন, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কমে যাওয়া আর পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া সবজির দাম বাড়ার কারণ।

বাজরে আজ বেগুন বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০০ টাকায়, করলা ৭০ থেকে ৯০ টাকায়, গাজর ১৫০-১৮০, টমেটো ১০০ থেকে ১২০, বরবটি ১০০, কচুরমুখি ১০০, কাঁচা মরিচ ২০০, ধনেপাতা ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কেজি প্রতি ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়া সবজিগুলোর মধ্যে রয়েছে শসা ৬০-৭০, পটল ৬০-৮০, কাঁকরোল ৮০, মূলা ৬০, ধুন্দল ৮০, ঢেঁড়স ৮০, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা। লাউ ৭০, চাল কুমড়া ৫০-৭০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় আর মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজারে বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন চিত্র দেখা গেছে।

 

বাজার করতে আসা  ক্রেতারা জানান, প্রতি সপ্তাহে সবজির দাম বাড়ছে। কিন্তু আমাদের ইনকাম বাড়ছে না। সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট নষ্ট হচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে টিকে থাকাটাই মুশকিল হবে। সবজির বাজারের লাগাম টানার মতো কেউ নেই। সরকারের উচিত সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। আগে এক থেকে দেড়শ টাকার সবজি কিনলে কমপক্ষে দুদিন রান্না করা যেত। আর এখন এই টাকায় ভালো করে দুইবেলা খাওয়ার জন্য সবজি পাওয়া যায় না। এমটি হলে আমাদের মত মধ্যবিত্তের বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে যাবে।

সবজি বিক্রেতা  জানান, গত সপ্তাহের চেয়ে সব সবজির দাম এ সপ্তাহে কিছুটা বেশি। এর মধ্যে বাজার চাহিদা মত সবজি নেই। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। আড়ৎ থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হয়। আমরা যে দামে কিনি, অল্প কিছু লাভে বিক্রি করি। আমরা তো আর বাজার নিয়ন্ত্রণ করি না। আড়ৎ থেকে বলা হচ্ছে পরিবহন খরচ বাড়ে যাওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মৌলভীবাজারের নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষ

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: মৌলভীবাজারে প্রতি সপ্তাহেই হু হু করে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। চড়া মূল্যের কারণে বাজারে গিয়ে হিমশিম খাতে হচ্ছে ক্রেতাদের। গত সপ্তাহে সবজির দাম কাছুটা কম থাকলেও এ সপ্তাহে আবারও বেড়েছে। সবচেয়ে কম দামে যে সবজি বিক্রি হচ্ছে সেটিও ৪০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, সংসার কি করে চলবে, সে ভাবনাতেই গলা শুকিয়ে যাচ্ছে তাদের।

 

আর বিক্রেতা বলছেন, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কমে যাওয়া আর পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া সবজির দাম বাড়ার কারণ।

বাজরে আজ বেগুন বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০০ টাকায়, করলা ৭০ থেকে ৯০ টাকায়, গাজর ১৫০-১৮০, টমেটো ১০০ থেকে ১২০, বরবটি ১০০, কচুরমুখি ১০০, কাঁচা মরিচ ২০০, ধনেপাতা ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কেজি প্রতি ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়া সবজিগুলোর মধ্যে রয়েছে শসা ৬০-৭০, পটল ৬০-৮০, কাঁকরোল ৮০, মূলা ৬০, ধুন্দল ৮০, ঢেঁড়স ৮০, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা। লাউ ৭০, চাল কুমড়া ৫০-৭০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় আর মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজারে বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন চিত্র দেখা গেছে।

 

বাজার করতে আসা  ক্রেতারা জানান, প্রতি সপ্তাহে সবজির দাম বাড়ছে। কিন্তু আমাদের ইনকাম বাড়ছে না। সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট নষ্ট হচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে টিকে থাকাটাই মুশকিল হবে। সবজির বাজারের লাগাম টানার মতো কেউ নেই। সরকারের উচিত সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। আগে এক থেকে দেড়শ টাকার সবজি কিনলে কমপক্ষে দুদিন রান্না করা যেত। আর এখন এই টাকায় ভালো করে দুইবেলা খাওয়ার জন্য সবজি পাওয়া যায় না। এমটি হলে আমাদের মত মধ্যবিত্তের বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে যাবে।

সবজি বিক্রেতা  জানান, গত সপ্তাহের চেয়ে সব সবজির দাম এ সপ্তাহে কিছুটা বেশি। এর মধ্যে বাজার চাহিদা মত সবজি নেই। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। আড়ৎ থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হয়। আমরা যে দামে কিনি, অল্প কিছু লাভে বিক্রি করি। আমরা তো আর বাজার নিয়ন্ত্রণ করি না। আড়ৎ থেকে বলা হচ্ছে পরিবহন খরচ বাড়ে যাওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে।