ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
তারেক রহমান পালিয়ে যাননি, ইতিহাস বিকৃত করছে জামায়াত—এম নাসের রহমান গ্যাস সংযোগ, বেহাল সড়ক ও বন্যা সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি আহমদ বিলালের তারেক রহমান ইস্যুতে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি–জামায়াত প্রার্থীর স্বজনদের সরব উপস্থিতিতে জমে উঠেছে নির্বাচনি প্রচারণা চ্যানেল এস-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মৌলভীবাজারে শীতবস্ত্র বিতরণ ও কেক কেটে উদযাপন মবশ্বির-রাবেয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে ১১ তম ফ্রি চক্ষু শিবির উদ্বোধন থার্স্ট ফর নলেজ মৌলভীবাজারের সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো: র‍্যাফেল ড্রতে জিতে নিন স্মার্টফোন সিংকাপন আপ্তাব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংর্বধনা মৌলভীবাজার-৩: আহমদ বিলালের নির্বাচনী উঠান বৈঠকে উন্নয়ন ও দুর্নীতি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি

সেনানিবাসে সুদানে নি হ ত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় ড্রোন হামলায় শাহাদাতবরণকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় সদস্যের জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন হয়েছে।

 

রোববার সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

জানাজা শেষে শহীদ শান্তিরক্ষীদের কফিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে শহীদদের প্রতি সামরিক সম্মান প্রদর্শন করা হয়। এ সময় এক শোকাতুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধানুষ্ঠান শেষে শহীদদের মরদেহগুলো সেনাবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে তাঁদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাঁদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে শহীদ এই ছয় সেনাসদস্যের কর্মময় জীবন ও আত্মত্যাগের বিবরণ পড়ে শোনানো হয়। এরপর তাঁদের আত্মার মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের ধৈর্য ধারণের শক্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

 

বিশ্বশান্তি রক্ষায় প্রাণ উৎসর্গকারী এই ছয় বীর সন্তান হলেন- করপোরাল মো. মাসুদ রানা (নাটোর), সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শান্ত মন্ডল (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শামীম রেজা (রাজবাড়ী), মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (UNISFA)-এর আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী হঠাৎ ড্রোন হামলা চালায়। এই নৃশংস হামলায় ঘটনাস্থলেই ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শহীদ হন এবং আরও ৯ জন আহত হন। গতকাল শনিবার তাঁদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছায়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের এই সর্বোচ্চ ত্যাগ ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনানিবাসে সুদানে নি হ ত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন

আপডেট সময় ০২:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় ড্রোন হামলায় শাহাদাতবরণকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় সদস্যের জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন হয়েছে।

 

রোববার সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

জানাজা শেষে শহীদ শান্তিরক্ষীদের কফিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে শহীদদের প্রতি সামরিক সম্মান প্রদর্শন করা হয়। এ সময় এক শোকাতুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধানুষ্ঠান শেষে শহীদদের মরদেহগুলো সেনাবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে তাঁদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাঁদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে শহীদ এই ছয় সেনাসদস্যের কর্মময় জীবন ও আত্মত্যাগের বিবরণ পড়ে শোনানো হয়। এরপর তাঁদের আত্মার মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের ধৈর্য ধারণের শক্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

 

বিশ্বশান্তি রক্ষায় প্রাণ উৎসর্গকারী এই ছয় বীর সন্তান হলেন- করপোরাল মো. মাসুদ রানা (নাটোর), সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শান্ত মন্ডল (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শামীম রেজা (রাজবাড়ী), মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (UNISFA)-এর আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী হঠাৎ ড্রোন হামলা চালায়। এই নৃশংস হামলায় ঘটনাস্থলেই ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শহীদ হন এবং আরও ৯ জন আহত হন। গতকাল শনিবার তাঁদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছায়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের এই সর্বোচ্চ ত্যাগ ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে।