ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ

ছাত্রীর সর্বনাশ করা শিক্ষককে গ্রে-ফ-তা-র

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্রীর (১৭) সর্বনাশ করা শিক্ষককে গ্রেফতর করেছে থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার রাতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্ধারুকা গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ক্বারী সেলিম মিয়াকে (৪২) গ্রেফতার করে পুলিশ। সেলিম ঐ এলাকার মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

 

আগে ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সেলিমের বিরুদ্ধে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে’ বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

 

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঐ ছাত্রী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাদরাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। রমজান মাসে স্থানীয় মসজিদে আরবি কোর্সে মাদ্রাসা ছাত্রী ভর্তি হয়। তখন সেখানে শিক্ষক হিসেবে গ্রেফতারকৃত সেলিম কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই বাদীর কন্যার উপর গ্রেফতরকৃত সেলিম মিয়ার নজর  পড়ে। এরপর থেকে মাদ্রাসায় আসা-যাওয়াকালে সেলিম মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় বুধবার (১৬ এপ্রিল) ৯টার দিকে জোরপূর্বক সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করেন।

 

বিশ্বনাথ থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর পরই পুলিশ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতর করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্রীর সর্বনাশ করা শিক্ষককে গ্রে-ফ-তা-র

আপডেট সময় ০৯:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

সিলেটের বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্রীর (১৭) সর্বনাশ করা শিক্ষককে গ্রেফতর করেছে থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার রাতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্ধারুকা গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ক্বারী সেলিম মিয়াকে (৪২) গ্রেফতার করে পুলিশ। সেলিম ঐ এলাকার মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

 

আগে ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সেলিমের বিরুদ্ধে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে’ বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

 

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঐ ছাত্রী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাদরাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। রমজান মাসে স্থানীয় মসজিদে আরবি কোর্সে মাদ্রাসা ছাত্রী ভর্তি হয়। তখন সেখানে শিক্ষক হিসেবে গ্রেফতারকৃত সেলিম কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই বাদীর কন্যার উপর গ্রেফতরকৃত সেলিম মিয়ার নজর  পড়ে। এরপর থেকে মাদ্রাসায় আসা-যাওয়াকালে সেলিম মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় বুধবার (১৬ এপ্রিল) ৯টার দিকে জোরপূর্বক সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করেন।

 

বিশ্বনাথ থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর পরই পুলিশ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতর করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।