ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজারে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক বিভাগীয় পর্যায়ের জনসচেতনতামূলক কর্মশালা আগামী নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে কুয়াশা ভেদ করে দৌড়: প্রকৃতির কোলে রাজকান্দি হিল ২৫কে ম্যারাতন —– বিজিত দত্ত সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ২২ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে আসছেন তারেক রহমান, মাঠ পরিদর্শনে জেলা বিএনপি ৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ করলো বিজিবি কোটচাঁদপুরে ভোটদানে সচেতনতামূলক সভায় জেলা প্রশাসক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বৈষম্য বিরোধী নেতার কোটচাঁদপুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচারণবিধি ও গণভোট সম্পর্কিত জনসাধারণকে অবহিতকরণ সভা

পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩
  • / ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সাংগঠনিক বিধি লঙ্ঘন করে মৌলভীবাজার শহরের একটি লাইব্রেরি বই বিক্রি করায় তার বিরুদ্ধে গঠনতান্ত্রিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্দ হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই সংগঠনের জেলা শাখার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি জেলা শাখা সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জুবের আহমদ লিখিত বক্তব্যে জানান, তাদের সংগঠন বাপুস সরকার অনুমোদিত একটি সংগঠন। যার রেজি নং- সি.টি.ও ১৪৭/২ অব ১৯৮১-৮২)। সমিতির প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী খুচরা বই গায়ের মূল্য মতে বিক্রি করার বিধান রয়েছে। মৌলভীবাজার শহরের ইসলামিয়া লাইব্রেরির মালিক এ নিয়ম ভঙ্গ করে সম্প্রতি বই বিক্রি করেন। এরপর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সরেজমিন এসে হাতে নাতে অনিয়ম প্রত্যক্ষ করে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কারো বক্তব্য গণমাধ্যমকর্মীরা না নেওয়ায় তারা প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জানান আগে যেখানে ৪৫০ টাকার বই একক জনকে একেক ধরণের কমিশন দিয়ে ৩০০/৩২০/ ৩৪০/ ৩৮০ টাকায় বিক্রি করা হত। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এই বই এখন ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতার ভোগান্তি দূর হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক মো. খলিলুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান প্রমুখ।

ইসলামিয়া লাইব্রেরির মালিক সালেহ আহমদ জুবের বলেন, কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে কোনো সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জরিমানা করার এখতিয়ার নাই। সংগঠনকে অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটে পরিণত করেছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সাংগঠনিক বিধি লঙ্ঘন করে মৌলভীবাজার শহরের একটি লাইব্রেরি বই বিক্রি করায় তার বিরুদ্ধে গঠনতান্ত্রিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্দ হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই সংগঠনের জেলা শাখার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি জেলা শাখা সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জুবের আহমদ লিখিত বক্তব্যে জানান, তাদের সংগঠন বাপুস সরকার অনুমোদিত একটি সংগঠন। যার রেজি নং- সি.টি.ও ১৪৭/২ অব ১৯৮১-৮২)। সমিতির প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী খুচরা বই গায়ের মূল্য মতে বিক্রি করার বিধান রয়েছে। মৌলভীবাজার শহরের ইসলামিয়া লাইব্রেরির মালিক এ নিয়ম ভঙ্গ করে সম্প্রতি বই বিক্রি করেন। এরপর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সরেজমিন এসে হাতে নাতে অনিয়ম প্রত্যক্ষ করে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কারো বক্তব্য গণমাধ্যমকর্মীরা না নেওয়ায় তারা প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জানান আগে যেখানে ৪৫০ টাকার বই একক জনকে একেক ধরণের কমিশন দিয়ে ৩০০/৩২০/ ৩৪০/ ৩৮০ টাকায় বিক্রি করা হত। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এই বই এখন ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতার ভোগান্তি দূর হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক মো. খলিলুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান প্রমুখ।

ইসলামিয়া লাইব্রেরির মালিক সালেহ আহমদ জুবের বলেন, কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে কোনো সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জরিমানা করার এখতিয়ার নাই। সংগঠনকে অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটে পরিণত করেছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।