ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
কোটচাঁদপুরে একই রাতে সাতটি গরুচুরি  বগুড়া মাতিয়ে এলেন মৌলভীবাজারের সংগীত শিল্পী জয়দ্বীপ রাজু মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ১০ম গ্রেড না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি টেকনোলজিস্টদের শ্রীমঙ্গলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বিদায় নিলেন পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ. জাহাঙ্গীর,দায়িত্ব নিলেন বিল্লাল হোসেন সরকারি চাকুরি করে কোটিপতি অনুপ মৌলভীবাজার সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নি/হ/ত আহত-১ কোটচাঁদপুর পৌর বিএনপির উদ্দেগে সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় মৌলভীবাজারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

বগুড়া মাতিয়ে এলেন মৌলভীবাজারের সংগীত শিল্পী জয়দ্বীপ রাজু

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি: বগুড়ায় সাহিত্য–সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান সংগঠন বগুড়া লেখক চক্র-এর ৩৭ বছর পূর্তি ও কবি সম্মেলন উপলক্ষে গত ২৮ ও ২৯ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী কবি সম্মেলন উৎসব জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবের প্রথম দিনে দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেন মৌলভীবাজারের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয়দ্বীপ রাজু।

 

দীর্ঘ চার দশক ধরে সাহিত্যচর্চা, সংস্কৃতি বিকাশ ও তরুণ লেখকদের অনুপ্রাণিত করে আসা বগুড়া লেখক চক্র এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা, সম্মাননা প্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানাবিধ আয়োজন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা এতে অংশ নেন, যা বগুড়া শহরকে দুই দিন ধরে পরিণত করে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। উৎসবের প্রথম দিনের সাংস্কৃতিক পর্বে মঞ্চে ওঠেন সিলেট অঞ্চলের লোকসংগীতের পরিচিত মুখ জয়দ্বীপ রাজু।

 

তিনি একের পর এক সুরেলা লোকধারা ও জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে শ্রোতাদের বিমোহিত করেন। তার পরিবেশনার সময় পুরো মিলনায়তনে সৃষ্টি হয় উচ্ছ্বাস আর সুরের আবেগঘন স্রোত। দর্শকদের অনেকেই উঠে দাঁড়িয়ে তার গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুলে ওঠেন।

 

আয়োজকদের মতে, বগুড়ার মতো সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ শহরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি। মৌলভীবাজারের শিল্পী জয়দ্বীপ রাজুর অংশগ্রহণ এই বছরের আয়োজনকে আরও বর্ণিল করে তুলেছে। তারা জানান, “লোকসংগীতের স্বাভাবিক আবহ এবং রাজুর সাবলীল পরিবেশনা অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।” জয়দ্বীপ রাজুও বগুড়ার দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “বগুড়া সবসময়ই সাহিত্য-সংস্কৃতির শহর। এখানে গান গাওয়া মানে এক বিশেষ আবেগ নিয়ে মঞ্চে ওঠা। আজকের ভালোবাসা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। দুইদিনব্যাপী আয়োজনটি বগুড়াবাসীর কাছে পরিণত হয় এক স্মরণীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি উৎসবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বগুড়া মাতিয়ে এলেন মৌলভীবাজারের সংগীত শিল্পী জয়দ্বীপ রাজু

আপডেট সময় ০৮:০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি: বগুড়ায় সাহিত্য–সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান সংগঠন বগুড়া লেখক চক্র-এর ৩৭ বছর পূর্তি ও কবি সম্মেলন উপলক্ষে গত ২৮ ও ২৯ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী কবি সম্মেলন উৎসব জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবের প্রথম দিনে দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেন মৌলভীবাজারের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয়দ্বীপ রাজু।

 

দীর্ঘ চার দশক ধরে সাহিত্যচর্চা, সংস্কৃতি বিকাশ ও তরুণ লেখকদের অনুপ্রাণিত করে আসা বগুড়া লেখক চক্র এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা, সম্মাননা প্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানাবিধ আয়োজন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা এতে অংশ নেন, যা বগুড়া শহরকে দুই দিন ধরে পরিণত করে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। উৎসবের প্রথম দিনের সাংস্কৃতিক পর্বে মঞ্চে ওঠেন সিলেট অঞ্চলের লোকসংগীতের পরিচিত মুখ জয়দ্বীপ রাজু।

 

তিনি একের পর এক সুরেলা লোকধারা ও জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে শ্রোতাদের বিমোহিত করেন। তার পরিবেশনার সময় পুরো মিলনায়তনে সৃষ্টি হয় উচ্ছ্বাস আর সুরের আবেগঘন স্রোত। দর্শকদের অনেকেই উঠে দাঁড়িয়ে তার গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুলে ওঠেন।

 

আয়োজকদের মতে, বগুড়ার মতো সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ শহরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি। মৌলভীবাজারের শিল্পী জয়দ্বীপ রাজুর অংশগ্রহণ এই বছরের আয়োজনকে আরও বর্ণিল করে তুলেছে। তারা জানান, “লোকসংগীতের স্বাভাবিক আবহ এবং রাজুর সাবলীল পরিবেশনা অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।” জয়দ্বীপ রাজুও বগুড়ার দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “বগুড়া সবসময়ই সাহিত্য-সংস্কৃতির শহর। এখানে গান গাওয়া মানে এক বিশেষ আবেগ নিয়ে মঞ্চে ওঠা। আজকের ভালোবাসা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। দুইদিনব্যাপী আয়োজনটি বগুড়াবাসীর কাছে পরিণত হয় এক স্মরণীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি উৎসবে।