ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
ঝিনাইদহ – ৩ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী বিএনপি ও জামায়াত নেতার আলিঙ্গন ও কুশল বিনিময় আব্দুল মান্নানকে মিষ্টিমুখ করালেন নাসের রহমান আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি বিজয়ী মৌলভীবাজার -১ আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি বিজয়ী মৌলভীবাজার ৪ বেসরকারিভাবে বিএনপি বিজয়ী মৌলভীবাজার ৩ আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি বিজয়ী বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে মৌলভীবাজার–৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এম নাসের রহমানের ভোট প্রদান শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ঝিনাইদহ – ৩ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী বিএনপি ও জামায়াত নেতার আলিঙ্গন ও কুশল বিনিময়

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ বিএনপির ধানের শীর্ষের প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির দলীয় কার্যালয়ে গেলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লার বিজয়ী প্রার্থী মাওলানা মতিয়ার রহমান। শুক্রবার রাতে মহেশপুরের ওই কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন তিনি।

এ সময় একে অপরের হাতে হাত রেখে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করতে দেখা যায় ওই দুই নেতাকে। এট রাজনৈতিক সৃষ্টাচার হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কোটচাঁদপুর -মহেশপুর নিয়ে ঝিনাইদহ -৩ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন ৪ জন প্রার্থী। যার মধ্যে বিএনপির ধানের শীর্ষে মেহেদী হাসান রনির,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মতিয়ার রহমান,ইসলামী আন্দোলন (হাতপাখা) প্রতিকের সারোয়ার হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদ (ট্র্যাক) প্রতিকের সুমন কবির। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মতিয়ার রহমান। এর পরের দিন শুক্রবার রাতে সৌজন্যে স্বাক্ষাত করতে যান বিএনপির ধানের শীর্ষির প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির দলীয় কার্যালয়ে । এ সময় ওই দুই নেতাকে একে অপরের হাতে হাত রেখে স্বাক্ষাত করতে দেখা যায়। এরপর তারা মিলিত হন আলিঙ্গনে। এটাকে ভাল রাজনৈতিক সৃষ্টাচার বলে অভিহিত করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে।

এ সময় তাঁরা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। এ ছাড়া এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথাও জানান ওই দুই নেতা।অধ্যাপক মতিয়ার রহমান বলেন,“নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মাত্র। ভোট শেষ মানেই আমাদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা শেষ। এখন আমাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও শান্তি নিশ্চিত করা। আমি সবাইকে নিয়ে মহেশপুর-কোটচাঁদপুরকে একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহ – ৩ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী বিএনপি ও জামায়াত নেতার আলিঙ্গন ও কুশল বিনিময়

আপডেট সময় ০৮:১২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ বিএনপির ধানের শীর্ষের প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির দলীয় কার্যালয়ে গেলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লার বিজয়ী প্রার্থী মাওলানা মতিয়ার রহমান। শুক্রবার রাতে মহেশপুরের ওই কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন তিনি।

এ সময় একে অপরের হাতে হাত রেখে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করতে দেখা যায় ওই দুই নেতাকে। এট রাজনৈতিক সৃষ্টাচার হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কোটচাঁদপুর -মহেশপুর নিয়ে ঝিনাইদহ -৩ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন ৪ জন প্রার্থী। যার মধ্যে বিএনপির ধানের শীর্ষে মেহেদী হাসান রনির,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মতিয়ার রহমান,ইসলামী আন্দোলন (হাতপাখা) প্রতিকের সারোয়ার হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদ (ট্র্যাক) প্রতিকের সুমন কবির। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মতিয়ার রহমান। এর পরের দিন শুক্রবার রাতে সৌজন্যে স্বাক্ষাত করতে যান বিএনপির ধানের শীর্ষির প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির দলীয় কার্যালয়ে । এ সময় ওই দুই নেতাকে একে অপরের হাতে হাত রেখে স্বাক্ষাত করতে দেখা যায়। এরপর তারা মিলিত হন আলিঙ্গনে। এটাকে ভাল রাজনৈতিক সৃষ্টাচার বলে অভিহিত করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে।

এ সময় তাঁরা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। এ ছাড়া এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথাও জানান ওই দুই নেতা।অধ্যাপক মতিয়ার রহমান বলেন,“নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মাত্র। ভোট শেষ মানেই আমাদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা শেষ। এখন আমাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও শান্তি নিশ্চিত করা। আমি সবাইকে নিয়ে মহেশপুর-কোটচাঁদপুরকে একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।