জারীকারকের কথোপকথন ফেসবুকে দেয়ায় ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ 

555

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতের জারীকারকের কথোপকথন ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ভাইরাল করার কারণে ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন জারিকারক। অভিযোগটি গত ১৩ জুন মৌলভীবাজার মডেল থানা সাধারণ ডায়রী হিসেবে গ্রহন করে। সাধারণ ডায়রী নং ৭২০ তারিখ- ১৩/০৬/১৯। এ বিষয়ে পরদিন ১৪ জুন মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত দেব দুলাল ধর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ এর ২৫(২)/২৯(১)/৩৫ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রাথমিক ভাবে প্রকাশ পায়। তবে এ বিষয়ে তিনি তদন্তের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এক নং আমলী আদালতে অনুমতি চাইলে বিজ্ঞ আদালত অনুমতি প্রদান করেন।
অভিযোগ সূত্রে জান গেছে, মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতের জারীকারকের মোঃ মফিজুল ইসলাম মৌলভীবাজার অর্থঋণ আদালতের মোকদ্দমার সমন জারীর জন্য সরজমিন গিয়ে একটি মামলার ২/৩নং বিবাদীকে না পেয়ে মামলার বাদী ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ মৌলভীবাজার শাখায় যান। এ সময় ব্যাংকের ম্যানেজার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সল আহমদের কাছে চাওয়া হয় মামলার ২/৩ নং বিবাদীগণের অন্য কোন ঠিকানা কিংবা টেলিফোন নম্বর সংরক্ষিত থাকিলে তা দেয়ার জন্য।
মফিজুল ইসলাম সমনগুলি জারীর স্বার্থে তাহা সরবরাহ করার তাকে অনুরোধ করিলে ব্যাংক ম্যানেজার তাহা দিতে অস্বীকার করেন এবং এগুলো কোর্টে আছে আমাদের কাছে আসছেন কেন? যত সব ফালতু বিষয় ইত্যাদি মন্তব্য করেন। তার এরুপ মন্তব্য শুনে মফিজুল ইসলাম মর্মাহত হন ও আলোচনার এক পর্যায়ে সমনের জারী স্থান বাড়ন্তি গিয়ে অহেতুক টাকা খরচ হওয়ার কথা বলিলে ব্যাংক ম্যানেজার রাগান্নিত কন্ঠে পাশের টেবিলে বসতে বলেন এবং অনুমান ৫ মিনিট পর জারীকারককে ডেকে পুনরায় তাহার কক্ষে আনেন ও বিভিন্ন বিব্রতকর প্রশ্ন করথে থাকেন মফিজুল ইসলামকে। ওই সময় ম্যানেজার কথোপকথন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে তা ফেসবুকে প্রচার করেন।
গত ১০ জুন সোমবার অনুমান দূপুর ১২ ঘটিকার দিকে মৌলভীবাজার২৪.ডট কম মিডিয়ায় প্রচারিত মোবাইল ফোনে ফেসবুকে ছবি সম্বলিত কথোপকথন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর ম্যানেজার ফয়ছল আহমদের সাথে দেখে বিস্মিত হন মফিজুল। ওই ভিডিওটি ম্যানেজার ফয়ছল আহমদের ফেসবুকে আইডিতে আপ করেন।
ফয়সল আহমদ গোপনে মোবাইলে ধারণ করে  মৌলভীবাজার২৪.ডট কম কর্তৃক যোগাযোগ মাধ্যমে তাহা প্রচার করা এবং বিভিন্ন ব্যাক্তি কর্র্তৃক ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য করায় তিনি পারিবারিক বা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হন। তার নিরাপত্তা ও গোপনীতা মারাত্মকভাবে বিঘিœত, সম্মান ও নিরাপত্তা নষ্ট হওয়ায় আইনী আশ্রয় নেন।