মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে জনবল ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে এমআরআই মেশিনটি অকেজো হয়ে পরে আছে

859

insurance news more article

মৌলভীবাজার২৪ ডট কমঃ আমার টাকায় কেনা এমআরআই মেশিন, যার মূল্য প্রায় আট থেকে দশ কোটি টাকা, যেহেতু জনগণের টাকায় কেনা মেশিন, (সেহেতু আমিই জনগণ)
পর্যাপ্ত জনবল ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে প্রায় ছয় মাস যাবৎ মেশিনটি অকেজো হয়ে পরে আছে।
মেশিনটি চালুর জন্য হিলিয়াম গ্যাস প্রয়োজন, যার মূল্য আনুমানিক ৫০ লক্ষ টাকা। কিন্তু একবার ৫০ লক্ষ টাকার গ্যাস আনলে কাজ করা হয় ৪/৫ লক্ষ টাকার, আর বাকি গ্যাস গুলি নষ্ট হচ্ছে। তার কারণ, কতৃপক্ষ রোগীদের ঢাকা এবং সিলেটের পথে যেতে বাধ্য করছে। যার কারনে সরকারের কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে আর রুগীদের পরতে হচ্ছে ভোগান্তিতে।
একবার গ্যাস আনলে গ্যাসের মেয়াদ দীর্ঘদিন থাকে।
যাচাই করে দেখলাম হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নির্দেশে সপ্তাহে ১ দিন মেশিনটি চালু করা হয়।
অথচ মৌলভীবাজারে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৫ জন রুগীকে এমআরআই করতে হয়, এমআরআই টেষ্টের জন্য রুগী হাসপাতালে গেলে নির্দিষ্ট একদিন তারিখ দিয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়, যে তারিখটি এক সপ্তাহের আগে অবশ্যই নয়।
একজন সিরিয়াস রুগীকে ১ সপ্তাহ পরে একটি তারিখ দেওয়া হলে সে বাধ্য হয়ে সিলেট অথবা ঢাকায় যেতে হচ্ছে।
সিলেট অথবা ঢাকায় গেলে আট থেকে বার হাজার টাকায় রুগীকে টেস্ট করিয়ে আসতে হয়।

জানা যায় ছয় মাস ধরে মেশিনটি গ্যাসের অভাবে অকেজো হয়ে পরে আছে। অযুহাত দেখানো হচ্ছে, রুগীর অভাবে ৫০ লক্ষ টাকার হিলিয়াম গ্যাস নষ্ট হচ্ছে।
আপনারা কতৃপক্ষ যদি এক সপ্তাহ পরে তারিখ দিয়ে রুগী বিদায় করে দেন, তাহলেতো রুগীর অভাব পরবেই। সরকারের দশ কোটি টাকার মেশিন আর পন্চাশ লক্ষ টাকার গ্যাস নষ্ট হলে কার কি !
সপ্তাহে একদিন তারিখ না দিয়ে যদি প্রতিদিন তারিখ দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো সরকারের টাকায় কেনা এতো কোটি টাকার মেশিনটি কাজে লাগতো আর গ্যাস নষ্ট হতো না।
আর রুগীদের সিলেট আর ঢাকায় গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।
প্রতিদিন যদি ৫ জন রুগীর সবাই মৌলভীবাজারেই টেস্ট করতে পারতো, তাহলে সিলেট আর ঢাকায় যাওয়ার প্রয়োজন হতো না এবং সরকারের এতো টাকার সম্পদও নষ্ট হতো না।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের তত্তবধায়ক পার্থ সারথী দত্ত  মৌলভীবাজার টোয়েন্টিফোর ডট কমকে জানান, মেশিনের গ্যাসের জন্য মন্ত্রনালয় এব্যাপারে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

insurance news more article