জীবননগরে চাইনা কমলা চাষে সাবলম্বী ওমর ফারুক খান

176

আতিকুজ্জামান চঞ্চল,জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিধিকুন্ডু গ্রামে চাইনিজ উন্নত জাতের কমলা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে ওমর ফারুক খান।

জীবননগর থানার স্থানীয় বাসিন্দা মৃত মন্ডল আলী খানের ছেলে মোঃ ওমর ফারুক খান
গ্রামে নিজের ১বিঘা জমিতে ২০১৮ সালে চাইনিজ কমলাচারা রোপণ করে ১টি বাগান করেন। পরবর্তীতে আরো ২বিঘা জমিতে ১টি পেয়ারা বাগান করেন। এখন তার ৯ বিঘা জমিতে মোট ৩টি বাগানে রয়েছে। গাছ লাগানোর ৬ মাসের মধ্যে ফল ধরা শুরু হয়। বর্তমান বাগানে প্রতিদিন ১৩ জন শ্রমিক পরিচর্যার কাজ করে থাকে। বাগান লাগানোর পর থেকে তার ব্যায় হয়েছে ৩০থেকে ৩৫হাজার টাকা। প্রতি বছর বাগান থেকে আয় হয়৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা। বাগানের ম্যানেজার মোঃ আকাশ জানান, আমি বাগান দেখাশুনা করি। মালটা,কমলা ও পেয়ারা বাজারজাত করার জন্য আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকার ক্রেতারা এসে বাগান থেকে কিনে নিয়ে যায়। এ সকল মালামাল বাগানেই প্যাকেট জাত করা হয়। বাগানের মালিক ওমর ফারুক খান জানান, কীটনাশক ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক পরিবেশেই মালটা,কমলা ও পেয়ারা চাষ করা হয়ে থাকে। প্রথমে অনেক কষ্ট করেছি। বর্তমান তার সুফল পাচ্ছি। আগামীতে আরও জায়গা ভাড়া নিয়ে বাগানের প্রশস্ততা বাড়ানো হবে। বাগানের পাশাপাশি নাসারীতে কমলা চারা ১০০ টাকা ছোট
মালটা চারা ৪০ টাকা কাশমিরি কুল ৪০ টাকা
থাই পেয়ারার চারা ২৫ টাকা থাই আমের চারা ১৩০টাকা ড্রাগন চারা ২৫ টাকা
থায় সবেদা চারা ১৩০টাকা নাকপুর কমলার চারা ১০০টাকা লটকন চারা ১৫০টাকা চাইনা ৩লিচুর চারা ২০০ টাকা কেরেলা নারকেলের চারা ৫০০টাকা থাই ১২ মাসি আমড়ার চারা ৭০টাকা। এসকল চারা বি্ক্রয় করা হয় । বাজারে থাই পেয়ারা ও লেবুর চারার বেশ চাহিদা রয়েছে বলে তিনি জানান।