ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বেগম খালেদা রব্বানী দেখতে হাসপাতালে এমপি নাসের রহমান অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির প্রতিবাদ মৌলভীবাজারে “বর্ণমালার মিছিল” নামে এক ব্যতিক্রমধর্মী শোভাযাত্রা বাবা তারেক রহমানকে নিয়ে মেয়ে জাইমা রহমানের পোস্ট জাসাস মৌলভীবাজার পৌর আহবায়ক কমিটি গঠন পিকআপ ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নি-হ-ত ৩ একুশের প্রথম প্রহরে মৌলভীবাজার শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষের ঢল শনিবার মৌলভীবাজারে আসছেন না প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে শহীদ ওসমান হাদি নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে শপথের পর বিএনপির উদ্যাগে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ

এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৮৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লালবাগে ঐতিহ্যের ২৬তম বর্ষ উপলক্ষে এক অভিনব ও ইতিহাসনির্মাণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে নয়, পুরো এশিয়া মহাদেশে প্রথমবার উদযাপিত হয়েছে মা সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা।

গত বছর লালবাগ যুব কিশোর সংঘ ২১ ফুট লম্বা ধানের সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে নজির স্থাপন করেছিল। এবছর তাদের উদ্যোগে ১৬ রূপে মা সরস্বতীর প্রতিমা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা একেবারে অনন্য এবং পৃথিবীর মধ্যে বিরল। এই ১৬ রূপে মা প্রতিমার আরাধনা মূলত শিল্প ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলন। পুরো অনুষ্ঠানটি গোসাইবাড়ি রোড, লালবাগ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া চক্রবর্তী ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী অঞ্জলি গ্রহণের পর তাদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানান। শ্রেয়া বলেন, “মা সরস্বতীর এই ১৬ রূপ সত্যিই অদ্ভুত সুন্দর। আমি খুব আনন্দিত, মা আমাদেরকে জ্ঞান ও শিক্ষার আলো দিক।” শ্রাবন্তী যোগ করেন, এত সুন্দর ও বিশাল এই পূজা দেখে আমার মনে আনন্দ ও ভক্তি একই সাথে উত্থান পেয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের এই প্রথম পূজা দেখতে আসা কাতার প্রবাসী সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, “আমি বিশ্বজুড়ে এমন কোনো অনুষ্ঠান আগে দেখিনি। সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা সত্যিই অনন্য, এবং এটি কেবল ধর্মীয় নয়, শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

এবারের অনুষ্ঠানের সভাপতি কৌশিক দত্ত বলেন, এই ১৬ রূপে মা সরস্বতী পূজা উদযাপন আমাদের জন্য একটি গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। আশা করি ভবিষ্যতেও এমন অনন্য উদ্যোগ গুলো আমাদের সমাজকে এক নতুন দিশা দেখাবে। অনুষ্ঠানটি ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি শিক্ষার, সংস্কৃতির এবং সমাজসেবার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান

আপডেট সময় ০৪:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লালবাগে ঐতিহ্যের ২৬তম বর্ষ উপলক্ষে এক অভিনব ও ইতিহাসনির্মাণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে নয়, পুরো এশিয়া মহাদেশে প্রথমবার উদযাপিত হয়েছে মা সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা।

গত বছর লালবাগ যুব কিশোর সংঘ ২১ ফুট লম্বা ধানের সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে নজির স্থাপন করেছিল। এবছর তাদের উদ্যোগে ১৬ রূপে মা সরস্বতীর প্রতিমা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা একেবারে অনন্য এবং পৃথিবীর মধ্যে বিরল। এই ১৬ রূপে মা প্রতিমার আরাধনা মূলত শিল্প ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলন। পুরো অনুষ্ঠানটি গোসাইবাড়ি রোড, লালবাগ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া চক্রবর্তী ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী অঞ্জলি গ্রহণের পর তাদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানান। শ্রেয়া বলেন, “মা সরস্বতীর এই ১৬ রূপ সত্যিই অদ্ভুত সুন্দর। আমি খুব আনন্দিত, মা আমাদেরকে জ্ঞান ও শিক্ষার আলো দিক।” শ্রাবন্তী যোগ করেন, এত সুন্দর ও বিশাল এই পূজা দেখে আমার মনে আনন্দ ও ভক্তি একই সাথে উত্থান পেয়েছে।

এশিয়া মহাদেশের এই প্রথম পূজা দেখতে আসা কাতার প্রবাসী সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, “আমি বিশ্বজুড়ে এমন কোনো অনুষ্ঠান আগে দেখিনি। সরস্বতীর ১৬ রূপে পূজা সত্যিই অনন্য, এবং এটি কেবল ধর্মীয় নয়, শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

এবারের অনুষ্ঠানের সভাপতি কৌশিক দত্ত বলেন, এই ১৬ রূপে মা সরস্বতী পূজা উদযাপন আমাদের জন্য একটি গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। আশা করি ভবিষ্যতেও এমন অনন্য উদ্যোগ গুলো আমাদের সমাজকে এক নতুন দিশা দেখাবে। অনুষ্ঠানটি ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এশিয়া মহাদেশের মধ্যে প্রথম এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি শিক্ষার, সংস্কৃতির এবং সমাজসেবার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।