ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহ.) ৬৮৫তম ওরস ১৫ই জানুয়ারি শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইল এর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ২২ জানুয়ারি আসছেন তারেক রহমান প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ও দলীয় নেতারা মৌলভীবাজারে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা মৌলভীবাজারে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক বিভাগীয় পর্যায়ের জনসচেতনতামূলক কর্মশালা আগামী নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে কুয়াশা ভেদ করে দৌড়: প্রকৃতির কোলে রাজকান্দি হিল ২৫কে ম্যারাতন —– বিজিত দত্ত সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ২২ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে আসছেন তারেক রহমান, মাঠ পরিদর্শনে জেলা বিএনপি

কোটচাঁদপুর পিঠা উৎসব পালিত 

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৯৯ বার পড়া হয়েছে
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ  পিঠার ঐতিহ্য,ইতিহাস ধরে রাখতে ও মানুষকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে কোটচাঁদপুর দিনব্যাপী হয়ে গেল পিঠা উৎসব। বৃহস্পতিবার এর আয়োজন করেন সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজে।
জানা যায়,২০১৮ সাল থেকে এ পিঠা উৎসব করছেন
 সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজে। আর প্রতি বছরের ২৬ জানুয়ারি এ উৎসবটির আয়োজন করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবকদের তৈরি করা পিঠা এ উৎসবে স্থান পায়। উৎসবে রকমারি  পিঠার সঙ্গে বাহারি নামও  ছিল দোকানগুলো।
এরমধ্যে ছিল নানির হাতের পিঠা,দাদির হাতের পিঠা, রকমারি পিঠা ঘর,রংধনু পিঠা,হাও মাও পিঠা খাও। এ ছাড়া রকমারি পিঠার মধ্যে ছিল, ভাপা পিঠা,রসের পিঠা,পুলি পিঠা,চিতই পিঠা।
বৃহস্পতিবার সকালে পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আর সকাল থেকেই দর্শনার্থী ও ক্রেতা আগমন শুরু হয়। যা ছিল চোখে পড়ার মত।
মেলায় পিঠে কিনতে আসা বলুহর গ্রামের জেসমির আরা বলেন,পিঠা উৎসব হয় জানতাম না। এ বছর এ স্কুলে ছেলেকে ভর্তি করিয়েছি। এ কারনে জানতে পারলাম। পিঠা উৎসবে এসে ভালই লাগছে। সব দোকানগুলো ঘুরে দেখলাম। কিছু পিঠাও কিনেছি। এমন আয়োজন হলে এ যুগের ছেলে /মেয়েরা পিঠা সম্পর্কে জানতে পারবে, খেতে পারবে।
ওই স্কুলের শিক্ষক হাজেরা খাতুন বলেন, পিঠা এ স্কুলের,ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবকরা বানিয়ে দেন, এছাড়া আমরা শিক্ষকরাও বানায়। বিক্রির পর সব তাদের দিয়ে দেয়া হয়। এ বছরও ভাল বিক্রি হবার আশা প্রকাশ করছি।
এ ব্যাপারে সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শিশির আজম শিলন বলেন,২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি এ প্রতিষ্ঠানটি ১৭ জন ছাত্র /ছাত্রী নিয়ে পথ চলা শুরু করেন। ৭ বছরে আজ প্রতিষ্টানে ৫শ জন ছাত্র /ছাত্রী লেখা-পড়া করছেন।
আর পিঠা উৎসব শুরু হয় ২০১৮ সালে ২৬ শে জানুয়ারি। মূলত বাঙ্গালি ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও মানুষকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ পিঠা উৎসব করা। গেল বছরের তুলনায় এ বছর আয়োজন ভালো হয়েছে। সামনে দিনে এটা আরো সমৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোটচাঁদপুর পিঠা উৎসব পালিত 

আপডেট সময় ০২:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ  পিঠার ঐতিহ্য,ইতিহাস ধরে রাখতে ও মানুষকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে কোটচাঁদপুর দিনব্যাপী হয়ে গেল পিঠা উৎসব। বৃহস্পতিবার এর আয়োজন করেন সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজে।
জানা যায়,২০১৮ সাল থেকে এ পিঠা উৎসব করছেন
 সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজে। আর প্রতি বছরের ২৬ জানুয়ারি এ উৎসবটির আয়োজন করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবকদের তৈরি করা পিঠা এ উৎসবে স্থান পায়। উৎসবে রকমারি  পিঠার সঙ্গে বাহারি নামও  ছিল দোকানগুলো।
এরমধ্যে ছিল নানির হাতের পিঠা,দাদির হাতের পিঠা, রকমারি পিঠা ঘর,রংধনু পিঠা,হাও মাও পিঠা খাও। এ ছাড়া রকমারি পিঠার মধ্যে ছিল, ভাপা পিঠা,রসের পিঠা,পুলি পিঠা,চিতই পিঠা।
বৃহস্পতিবার সকালে পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আর সকাল থেকেই দর্শনার্থী ও ক্রেতা আগমন শুরু হয়। যা ছিল চোখে পড়ার মত।
মেলায় পিঠে কিনতে আসা বলুহর গ্রামের জেসমির আরা বলেন,পিঠা উৎসব হয় জানতাম না। এ বছর এ স্কুলে ছেলেকে ভর্তি করিয়েছি। এ কারনে জানতে পারলাম। পিঠা উৎসবে এসে ভালই লাগছে। সব দোকানগুলো ঘুরে দেখলাম। কিছু পিঠাও কিনেছি। এমন আয়োজন হলে এ যুগের ছেলে /মেয়েরা পিঠা সম্পর্কে জানতে পারবে, খেতে পারবে।
ওই স্কুলের শিক্ষক হাজেরা খাতুন বলেন, পিঠা এ স্কুলের,ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবকরা বানিয়ে দেন, এছাড়া আমরা শিক্ষকরাও বানায়। বিক্রির পর সব তাদের দিয়ে দেয়া হয়। এ বছরও ভাল বিক্রি হবার আশা প্রকাশ করছি।
এ ব্যাপারে সব্দুল সরদার মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শিশির আজম শিলন বলেন,২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি এ প্রতিষ্ঠানটি ১৭ জন ছাত্র /ছাত্রী নিয়ে পথ চলা শুরু করেন। ৭ বছরে আজ প্রতিষ্টানে ৫শ জন ছাত্র /ছাত্রী লেখা-পড়া করছেন।
আর পিঠা উৎসব শুরু হয় ২০১৮ সালে ২৬ শে জানুয়ারি। মূলত বাঙ্গালি ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও মানুষকে পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ পিঠা উৎসব করা। গেল বছরের তুলনায় এ বছর আয়োজন ভালো হয়েছে। সামনে দিনে এটা আরো সমৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।