ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
কোটচাঁদপুর শহরের দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লেগে ভষ্মিভূত গেম ও এআই দিয়ে অটিজম শনাক্তকরণ: ‘ডিএনএ হ্যাক ফর হেলথ’-এ সেরা ‘নিউরোনার্চার’ শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের নিয়ে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা নাসের রহমানের নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ, সতর্কবার্তা ২২ জানুয়ারির জনসভা সফল করতে আইনপুর মাঠ পরিদর্শন করলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা মৌলভীবাজারের শামছুল ইসলাম সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবীতে মৌলভীবাজার প্রতীকী অনশন দুর্গাপুর পৌরসভা ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ভারতীয় জিরা উদ্ধার করেছে বিজিবি মৌলভীবাজার ৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম নাসের রহমানের সমর্থনে লন্ডনে সভা

কোটচাঁদপুর ৯ মালিকের ১৬ ছাগল চুরি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৩০৬ বার পড়া হয়েছে
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ এক মাসে এক গ্রাম থেকে ৯ মালিকের ১৬ ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি হয়েছে পঙ্গু মইদুল ইসলামরেও ২ ছাগল। চোর আতংকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে ওই গ্রামের ছাগল মালিকেরা। ২ ছাগল চুরির কথা শুনেছেন চায়ের দোকানে,অভিযোগ করেনি কেউ, বললেন,পুলিশ ফাঁড়ির (এস আই) মিজানুর রহমান।
ভুক্তভোগীদের সুত্রে জানা যায়,কোটচাঁদপুর উপজেলাধীন পাঁচলিয়া গ্রাম। গেল এক মাসে ওই গ্রাম থেকে ৯ জন ছাগল মালিকের ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে।
যার মধ্যে রয়েছে,ওই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১ টি,তহিদুল ইসলামের ১ টি,আশরাফুল ইসলামের ৩ টি,সাইদুর ইসলামের ১ টি,জহির হোসেনের ১ টি,দুরুদ মন্ডলের ১ টি,তসলেম উদ্দিনের ২ টি,আবু কালামের ২ টি চুরি করে নিয়ে যান,আর মেরে রেখে যান আরোও ১ টি।
এ ছাড়া চোরের হাত থেকে রেহাই পাননি,ওই গ্রামের পঙ্গু মইদুল ইসলাম ও। চোরেরা নিয়ে গেছেন,তাঁর দুইটি ছাগল। যে দুইটি ছাগল ছিল, তাঁর একমাত্র অবলম্বন।
মইদুল ইসলাম বলেন, গেল ১০ বছর ধরে,আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম চলে। বাজার আর অন্যান্য ব্যয়ভার চলতো,আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল দুইটি পেয়ে ছিলাম,আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা।
তিনি বলেন,৩ ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারে আয়ের মানুষ আমি একাই। ছাগল গুলো নিয়ে বেড়াতাম। এখন বাড়িতে বসেই দিন কাটছে আমার।
এ দিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনা ঘটায়,নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিকদের এমনটাই জানিয়েছেন ওই গ্রামের লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন,আমরা দীর্ঘদিন ধরে ছাগল পালন করে আসছি।
কোন দিন এমন সমস্যা হয়নি। এ বছর একের পর এক ছাগল চুরি হওয়ায়, কোন রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারছিনা। প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত পার করতে হচ্ছে আমাদের।
এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃংখলা সভাও তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
কোটচাঁদপুরের লক্ষিপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই)  মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। ওতগুলো ছাগল চুরি হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। এ ছাড়া ওই ব্যাপারে আজও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগও করেনি।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোটচাঁদপুর ৯ মালিকের ১৬ ছাগল চুরি

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ এক মাসে এক গ্রাম থেকে ৯ মালিকের ১৬ ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি হয়েছে পঙ্গু মইদুল ইসলামরেও ২ ছাগল। চোর আতংকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে ওই গ্রামের ছাগল মালিকেরা। ২ ছাগল চুরির কথা শুনেছেন চায়ের দোকানে,অভিযোগ করেনি কেউ, বললেন,পুলিশ ফাঁড়ির (এস আই) মিজানুর রহমান।
ভুক্তভোগীদের সুত্রে জানা যায়,কোটচাঁদপুর উপজেলাধীন পাঁচলিয়া গ্রাম। গেল এক মাসে ওই গ্রাম থেকে ৯ জন ছাগল মালিকের ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে।
যার মধ্যে রয়েছে,ওই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১ টি,তহিদুল ইসলামের ১ টি,আশরাফুল ইসলামের ৩ টি,সাইদুর ইসলামের ১ টি,জহির হোসেনের ১ টি,দুরুদ মন্ডলের ১ টি,তসলেম উদ্দিনের ২ টি,আবু কালামের ২ টি চুরি করে নিয়ে যান,আর মেরে রেখে যান আরোও ১ টি।
এ ছাড়া চোরের হাত থেকে রেহাই পাননি,ওই গ্রামের পঙ্গু মইদুল ইসলাম ও। চোরেরা নিয়ে গেছেন,তাঁর দুইটি ছাগল। যে দুইটি ছাগল ছিল, তাঁর একমাত্র অবলম্বন।
মইদুল ইসলাম বলেন, গেল ১০ বছর ধরে,আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম চলে। বাজার আর অন্যান্য ব্যয়ভার চলতো,আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল দুইটি পেয়ে ছিলাম,আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা।
তিনি বলেন,৩ ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারে আয়ের মানুষ আমি একাই। ছাগল গুলো নিয়ে বেড়াতাম। এখন বাড়িতে বসেই দিন কাটছে আমার।
এ দিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনা ঘটায়,নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিকদের এমনটাই জানিয়েছেন ওই গ্রামের লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন,আমরা দীর্ঘদিন ধরে ছাগল পালন করে আসছি।
কোন দিন এমন সমস্যা হয়নি। এ বছর একের পর এক ছাগল চুরি হওয়ায়, কোন রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারছিনা। প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত পার করতে হচ্ছে আমাদের।
এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃংখলা সভাও তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
কোটচাঁদপুরের লক্ষিপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই)  মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। ওতগুলো ছাগল চুরি হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। এ ছাড়া ওই ব্যাপারে আজও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগও করেনি।