ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
কৃষক কার্ড–ফ্যামেলি কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বিএনপি: এম নাসের রহমান এশিয়ার মধ্যে প্রথমবার ১৬ রূপে সরস্বতী পূজা* শ্রীমঙ্গলের লালবাগে ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে গনভোট হ্যাঁ জয় যুক্ত করতে হবে… সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সকল সুবিধা এক জায়গায় নিয়ে আসতে চায় বিএনপি – এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার–৩ আসনে দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীর গণসংযোগ বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার শাহবাজপুর নাটিটিলা থেকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পাইপ গান দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি বিএনপির পরিকল্পনায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘কান্নাকাটি’ করছে: এম নাসের রহমান অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় গর্তে ডুবে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃ ত্যু

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে কাজে ফিরলেন চা শ্রমিকদের একাংশ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২
  • / ৬২৭ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: টানা ১১ দিন পর অবশেষে সিলেটে কাজে যোগ দিয়েছেন চা শ্রমিকদের একাংশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন চা- শ্রমিকরা। ১৪৫ টাকা নয়, মজুরির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে ঠিক করে দেবেন। এমন আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরছেন চা-শ্রমিকরা। সোমবার আগের ১২০ টাকা মজুরিতেই কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা।

রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে চা-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, চা-শ্রমিকরা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে শ্রদ্ধা করেন। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তাদের এ সিদ্ধান্ত। শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন এবং বাগানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের সর্বোচ্চ অভিভাবক। তিনি আমাদের যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা সেটা মেনে নেব।

সভায় যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রেখে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে ২২ আগস্ট থেকে কাজে যোগদান করবেন। এছাড়া আপাতত চলমান মজুরি ১২০ টাকাতেই শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবেন। নতুন মজুরি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার পর চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। এছাড়া অন্য দাবিগুলো লিখিত আকারে জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবেন। বাগানমালিকরা ধর্মঘটকালীন মজুরি পরিশোধ করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর উপ-পরিচালক মো. নাহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে কাজে ফিরলেন চা শ্রমিকদের একাংশ

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২

মৌলভীবাজার২৪ ডেস্ক: টানা ১১ দিন পর অবশেষে সিলেটে কাজে যোগ দিয়েছেন চা শ্রমিকদের একাংশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন চা- শ্রমিকরা। ১৪৫ টাকা নয়, মজুরির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে ঠিক করে দেবেন। এমন আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরছেন চা-শ্রমিকরা। সোমবার আগের ১২০ টাকা মজুরিতেই কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা।

রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে চা-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, চা-শ্রমিকরা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে শ্রদ্ধা করেন। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তাদের এ সিদ্ধান্ত। শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন এবং বাগানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের সর্বোচ্চ অভিভাবক। তিনি আমাদের যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা সেটা মেনে নেব।

সভায় যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রেখে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে ২২ আগস্ট থেকে কাজে যোগদান করবেন। এছাড়া আপাতত চলমান মজুরি ১২০ টাকাতেই শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবেন। নতুন মজুরি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার পর চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। এছাড়া অন্য দাবিগুলো লিখিত আকারে জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবেন। বাগানমালিকরা ধর্মঘটকালীন মজুরি পরিশোধ করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর উপ-পরিচালক মো. নাহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা ।